বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের গোপনে ধারণ করা একটি ভিডিও সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের ক্ষুব্ধ নেতা-কর্মীরা জাহাঙ্গীর আলমকে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের পদ থেকে বহিষ্কারের দাবি তোলেন। এ নিয়ে প্রায় দুই সপ্তাহ ধরে গাজীপুরের রাজনীতি উত্তপ্ত। গাজীপুরে মেয়র-সমর্থকদের সঙ্গে বিরোধীদের সংঘর্ষের ঘটনাও ঘটেছে।

যদিও শুরু থেকেই এই ভিডিওকে সাজানো ও বানোয়াট বলে আসছেন মেয়র জাহাঙ্গীর। কারণ দর্শানোর নোটিশ পাওয়ার পর তিনি রোববার প্রথম আলোকে বলেন, ‘ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওর পরিপ্রেক্ষিতে আমাকে এ নোটিশ দেওয়া হয়েছে। নোটিশে দলের ভাবমূর্তি নষ্টের কথা বলা হয়েছে। এটি (ভিডিও) আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা প্রচারণা। আমার ইমেজ নষ্ট করতেই এটি করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ১৫ দিনের মধ্যে নোটিশের যথাযথ জবাব দেবেন। এরপর প্রধানমন্ত্রীসহ দল যে সিদ্ধান্ত নেয়, তা মাথা পেতে নেবেন।

দল থেকে জাহাঙ্গীর আলমের বহিষ্কারের দাবিতে রোববার বিকেল থেকে গাজীপুর শহর, চান্দনা চৌরাস্তা ও বোর্ডবাজার এলাকায় বিক্ষোভ করেছেন আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা। গাছা থানা আওয়ামী লীগের উদ্যোগে চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় মহাসড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল করেন নেতা–কর্মীরা। এ সময় প্রায় এক ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ ছিল। পরে একটি বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করা হয়। এর আগে সকালে গাজীপুর রাজবাড়ি রোডে জেলা প্রশাসনের কার্যালয়ের সামনে মানববন্ধন করা হয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুরের বিভিন্ন এলাকায় আওয়ামী লীগের নেতা–কর্মীরা তাঁর বহিষ্কারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছেন।

নগর আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমত উল্লা খান প্রথম আলোকে বলেন, জাহাঙ্গীর আলম যে অপরাধ করেছেন, তা ক্ষমার অযোগ্য। রাষ্ট্রদ্রোহিতার শামিল। কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ তাঁকে শোকজ করেছে। সন্তোষজনক জবাব দিতে না পারলে তাঁকে শাস্তি পেতে হবে। তাঁকে প্রমাণ করতে হবে এটি তাঁর বক্তব্য নয়। না হলে শুধু গাজীপুর নয়, পুরো দেশবাসী তাঁকে ক্ষমা করবে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন