বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত শুক্রবার আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির বৈঠক হয়। ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওই সভায় জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কার করা হয়। বহিষ্কারের পর গত শনিবার দুপুরে তিনি সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। এর পর থেকে তিনি আর বাড়ির বাইরে যাননি।

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিতর্কিত কথাবার্তার ভিডিও ছড়িয়ে পড়ার পরও অনেক নেতা-কর্মী জাহাঙ্গীর আলমের পাশে ছিলেন। তবে আওয়ামী লীগ থেকে বহিষ্কারের সিদ্ধান্তের পর বেশির ভাগ নেতা-কর্মী তাঁকে এড়িয়ে চলছেন। গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের এক নেতা নাম প্রকাশ না করার শর্তে প্রথম আলোকে বলেন, জাহাঙ্গীর আলম যেহেতু দল থেকে বহিষ্কৃত, তাই এখন তিনি আওয়ামী লীগের কেউ নন। এ কারণে দলীয় কার্যালয় থেকে তাঁর ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

আজ সকালে মহানগর আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতা বলেন, গতকাল সন্ধ্যার পর মহানগর আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয় থেকে জাহাঙ্গীর আলমের ছবি সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এ ছাড়া কোনাবাড়ী থানা, কোনাবাড়ী মহানগর আওয়ামী লীগ, কাশিমপুর দলীয় কার্যালয়, সালনা, টঙ্গীসহ মহানগরের সব দলীয় কার্যালয়ে আওয়ামী লীগের সভাপতি আজমতউল্লাহ খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলমের ছবি সাঁটানো ছিল। জাহাঙ্গীর আলমকে দল থেকে বহিষ্কারের পর তাঁর ছবি নামিয়ে ফেলা হয়েছে।

মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতা ও কোনাবাড়ী এলাকার বাসিন্দা জাহাঙ্গীর মিয়া দলীয় কার্যালয় থেকে মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের ছবি সরানোর তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

গত সেপ্টেম্বরে গোপনে ধারণ করা মেয়র জাহাঙ্গীর আলমের কথোপকথনের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জেলার কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য করা হয়েছে বলে আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা অভিযোগ করেন। পরে দল তাঁকে বহিষ্কার করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন