বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশ আজ শনিবার সকালে সংবাদ সম্মেলন করেছে। সংবাদ সম্মেলনে গাজীপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান বলেন, ২৪ নভেম্বর রাতে গাজীপুর সদর থানাধীন দেশীপাড়া এলাকায় নারী ও শিশুর লাশ পাওয়া যায়। পরে স্থানীয় জনগণের তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় মা–মেয়ের পরিচয় শনাক্ত করে। পুলিশ হত্যার রহস্য উদ্ধার ও হত্যাকারীদের গ্রেপ্তারে অভিযান শুরু করে। অভিযান চালিয়ে গতকাল রাতে কালীগঞ্জ উপজেলা থেকে আসামি জাহিদুল ইসলাম ও মহিউদ্দীনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

এই পুলিশ কর্মকর্তা বলেন, ফেরদৌসীকে ২৪ নভেম্বর বিকেলে জাহিদুল ইসলাম খান ইনস্যুরেন্সের কথা বলে বাসা থেকে ডেকে নিয়ে যান। পরে জাহিদুল, ফেরদৌসী ও তাসমীয়া রিকশায় করে হাড়িনাল থেকে দেশীপাড়ার বিমানবাহিনীর টেক এলাকায় যায়। সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা মহিউদ্দীন ফেরদৌসীকে ছুরিকাঘাত করেন। ফেরদৌসীকে ছুরিকাঘাত করার ঘটনা দেখে ফেলে মেয়ে তাসমীয়া চিৎকার করলে তাকেও গলা কেটে হত্যা করা হয়

পুলিশের দাবি, আসামিরা জিজ্ঞাসাবাদে বলেছেন যে মহিউদ্দিনের সঙ্গে তাঁর স্ত্রীর তিন মাস আগে বিচ্ছেদ হয়। মহিউদ্দিনের সাবেক স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায় যে তিনি সাত-আট মাস আগে ফেরদৌসীর সহায়তায় একটি ইনস্যুরেন্স কোম্পানিতে চাকরি নেন। মহিউদ্দিনের ধারণা, ফেরদৌসীর সহায়তায় তাঁর স্ত্রী চাকরি নেওয়ার কারণে তাঁদের বিচ্ছেদের ঘটনা ঘটেছে। এ কারণে মহিউদ্দিন ফেরদৌসীকে হত্যার সিদ্ধান্ত নেন।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত আছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন