বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকায় দেখা গেছে, শ্রমিকেরা হেঁটে ও অটোরিকশা করে কারখানায় কাজে যাচ্ছেন। গাজীপুরের বিভিন্ন মহাসড়কের পাশেই রয়েছে অনেক শিল্পকারখানা। ফলে কারখানার অধিকাংশ শ্রমিকেরা মহাসড়ক ধরেই প্রবেশ করছেন। চন্দ্রা পল্লী বিদুৎ এলাকার ডিভাইন টেক্সটাইল কারখানার শ্রমিক আসাদুল মিয়া বলেন, অফিস থেকে বাসার দূরত্ব বেশি। তাই অন্য দিনের চেয়ে ৩০ মিনিট আগে বের হয়েছিলেন।

রিকশার চালক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ‘হুনছিতো সরকার কঠিন হইছে। কিন্তু পেটে খাওন না থাকলে ঘরে বইয়া থাকুম কেমনে? রিকশা চালাই যা পাকু, হেই দিয়া বাজার–সদাই কইরা বাড়ি গেলে তহন রান্না হইব। আর রিকশা না চালাইলে না খাইয়া থাকন লাগব। পুলিশ দেইহাই চালাইতাছি।’

সালনা (কোনাবাড়ি) হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক বলেন, সকালে শিল্পকারখানার শ্রমিকেরা কারখানায় যাওয়ার ফলে রাস্তায় লোকজন দেখা গেছে। তবে তাঁরা কারখানার নিজস্ব পরিবহনেই যাতায়াত করছেন। উপযুক্ত কারণ না দেখাতে পারলে কাউকেই চলাচল করতে দেওয়া হচ্ছে না।

default-image

গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ প্রথম আলোকে বলেন, গাজীপুর জেলা পুলিশ সড়ক–মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে চেকপোস্ট বসিয়ে কঠোর অবস্থান নিয়েছে। গাজীপুরের রাজেন্দ্রপুর, হোতাপাড়া, কালিয়াকৈরের চন্দ্রাসহ বিভিন্ন স্থানে পুলিশ আছে। অকারণে কেউ বের হলে তাঁর বিরুদ্ধে কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন