বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই ব্যক্তির নাম আসাদুল ইসলাম ওরফে আসাদ (৪৫)। তিনি মুন্সিগঞ্জের টঙ্গীবাড়ি থানার হাসাইল গ্রামের মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে। টঙ্গীর এরশাদনগর ৫ নম্বর ব্লকের একটি বাসায় পরিবার নিয়ে থাকতেন তিনি।

আসাদের লাশ টঙ্গীর শহীদ আহসানউল্লাহ মাস্টার জেনারেল হাসপাতালে রয়েছে। সেখানে ভিড় জমিয়েছেন আসাদের স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। হাসপাতালে আছেন র‍্যাব সদস্যরাও।

আসাদের স্ত্রী জেসমিন আক্তার হাসপাতালে উপস্থিত সংবাদকর্মীদের কাছে অভিযোগ করেন, গতকাল দুপুরের দিকে হঠাৎ তাঁদের বাসায় উপস্থিত হন পাঁচ-ছয়জন র‍্যাব সদস্য। তাঁদের ঘরে ‘জিনিস’ আছে বলে তা বের করতে বলেন র‍্যাব সদস্যরা। কিন্তু কী বের করতে হবে জানতে চাইলে ক্ষিপ্ত হয়ে পুরো ঘর তল্লাশি শুরু করেন তাঁরা। কিছু না পেয়ে আসাদকে পেটাতে থাকেন। একপর্যায়ে ঘটনাস্থলেই আসাদ মারা যান। তিনি বলেন, ‘কতবার কইলাম, স্যার, আমার স্বামীর কোনো দোষ নাই। ঘরে কিছু নাই। কিন্তু তারপরও তারা আমার স্বামীরে পিটাইতে থাকে।’

তবে গত রাত ১০টার দিকে র‍্যাব-১-এর সিইও আবদুল্লাহ আল মোমেন হাসপাতালে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আসাদ মাদক ব্যবসায়ী। আজও (গতকাল) তিনি ৬০০ ইয়াবা সাপ্লাই দিয়েছেন। আরও ইয়াবা তাঁর বাসায় আছে জেনে র‍্যাব সদস্যরা সেখানে যান।

র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি করে একপর্যায়ে আহত হন আসাদ। হাসপাতালে নেওয়ার ২০ মিনিট পর তিনি মারা যান। এ ঘটনায় আমাদের দুই সদস্যও আহত হয়েছেন।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন