বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় সোলাইমান হোসেনের দুই মেয়ে মারা গেল। তাঁর বড় মেয়ে রিচি আক্তারের (১৫) লাশ গতকাল ঘটনার পরপর উদ্ধার হয়। রিচি স্থানীয় জমির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। ওই ঘটনায় নিহত অপর দুই কিশোরী হলো একই গ্রামের মনজুর হোসেনের মেয়ে মায়া আক্তার (১৪) এবং হায়েত আলীর মেয়ে আইরিন আক্তার (১৪)। মায়া জমির উদ্দিন স্কুল অ্যান্ড কলেজের অষ্টম শ্রেণির এবং আইরিন পাইনশাইল গ্রামের গাছপুকুরপাড়া দাখিল মাদ্রাসার অষ্টম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিচি, রিয়া, আইরিন, মায়াসহ পাঁচ–ছয়জন শিশু-কিশোরী গোসল করতে নামে। এ সময়ে তারা হঠাৎ খালের স্রোতে পড়ে যায়।

এলাকাবাসী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা গেছে, গাজীপুর সদর উপজেলার লবন্দহ খালে বন্যার পানিতে এখন অথই পানি। প্রতিদিনই সেখানে আশপাশের শিশু-কিশোরেরা গোসল করতে নামে। গতকাল দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রিচি, রিয়া, আইরিন, মায়াসহ পাঁচ–ছয়জন শিশু-কিশোরী গোসল করতে নামে। এ সময়ে তারা হঠাৎ খালের স্রোতে পড়ে যায়। এ সময়ে খালের পাড়ে থাকা অন্যরা তাদের দেখতে না পেয়ে ডাক-চিৎকার শুরু করে। এ সময় দুজন পাড়ে উঠেতে পারলেও ওই চারজন পানিতে ডুবে যায়।

আশপাশের লোকজন তাদের উদ্ধার করতে না পেরে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন। বেলা দেড়টার দিকে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল প্রায় আড়াই ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে তিনজনের মৃতদেহ উদ্ধার করে। আরেকজনের সন্ধান তারা পায়নি। পরে আজ ঘটনাস্থলে টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দল কাজ শুরু করে রিয়ার লাশ উদ্ধার করে।

টঙ্গী ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন কর্মকর্তা ইকবাল হাসান জানান, নিখোঁজ একজনের লাশ উদ্ধার করে তার পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন