default-image

গাজীপুর তিতাস গ্যাস ট্রান্সমিশন অ্যান্ড ডিস্ট্রিবিউশন কর্মকর্তারা অভিযান চালিয়ে অবৈধ গ্যাস ব্যবহার করার দায়ে একটি কারখানার ব্যবস্থাপককে ১৫ দিনের জেল দিয়েছেন। এ ছাড়া দুই কারখানাসহ ১৪ জনকে ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দিয়েছেন। ওই অভিযানে কয়েকটি এলাকার ১ হাজার ৭০০ অবৈধ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়।

গাজীপুরের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মাসুদুর রহমানের নেতৃত্বে তিতাস কর্মকর্তা ও পুলিশের যৌথ উদ্যোগে গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে রাত সাড়ে ১১টা পর্যন্ত ওই অভিযান চলে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক মাসুদুর রহমান বলেন, গাজীপুর নগরীর বোর্ডবাজার এলাকায় অবস্থিত মেসার্স এমা ড্রাই প্রসেস নামের শিল্পপ্রতিষ্ঠানটি অবৈধভাবে গ্যাস ব্যবহার করে আসছিল। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে এর সত্যতা পাওয়া গেলে কারখানার ব্যবস্থাপক আনিসুর রহমানকে ১৫ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ড ও ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে কারখানাটি সিলগালা করা হয়। অন্যদিকে বোর্ডবাজারে শহীদ সিদ্দিক রোড এলাকায় অবস্থিত মেসার্স পারফেক্ট ওয়াশিং কারখানায় অননুমোদিত গ্যাস কম্প্রেসর বা বুস্টার ব্যবহার করায় প্রতিষ্ঠানটিকে ৮০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।

বিজ্ঞাপন

গাজীপুর নগরীর রওশন সড়ক এলাকায় অবৈধভাবে স্থাপিত এক কিলোমিটার গ্যাসপাইপ অপসারণ করা হয়। এতে প্রায় ২০০টি বাড়ির ৫০০ অবৈধ চুলায় গ্যাস–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। একই এলাকায় মেসার্স ভাই-বোন বেকারিতে অননুমোদিত অতিরিক্ত স্থাপনায় গ্যাস ব্যবহার করার কারণে বেকারির মালিককে ৫০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করা হয়। মোগরখাল ও শরীফপুর কোনাপাড়া এলাকায় ৪টি স্পটে অবৈধভাবে স্থাপিত আড়াই কিলোমিটার পাইপলাইনের সংযোগস্থলসহ ১০০ মিটার পাইপলাইন অপসারণ করে গ্যাস–সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়। ফলে প্রায় ৫০০টি বাড়ির ১ হাজার ২০০ অবৈধ চুলায় গ্যাস–সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়। বাসাবাড়িতে অবৈধ গ্যাস ব্যবহারের দায়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত ১৪ জনকে ৫ লাখ ৩১ হাজার টাকা জরিমানা করেন।

অভিযানে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন গাজীপুর তিতাসের ব্যবস্থাপক মো. সুরুয আলম, উপব্যবস্থাপক আবু সুফিয়ান ও মির্জা শাহনেওয়াজ, উপসহকারী প্রকৌশলী মজিবুর রহমান, সাবিনুর রহমান প্রমুখ।

মন্তব্য পড়ুন 0