বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গ্রেপ্তার ব্যক্তিরা হলেন মো. আসাদুজ্জামান পলাশ (৪০), মো. অলিউর রহমান (৪০), মো. আ. হাকিম (৪০), রিপন আহাম্মেদ (৪০), মো. কামরুল ইসলাম (৩৬), মোহন চৌকিদার (৫২) ও বাচ্চু মিয়া (৪৫)। তাঁরা ঢাকা, চট্টগ্রাম, বরিশাল ও গাজীপুরে ডাকাতি করতেন। তাঁদের বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন থানায় একাধিক ডাকাতি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

পুলিশ জানায়, গত ১৯ সেপ্টেম্বর টঙ্গীর কাজীবাড়ী এলাকার রিয়ামনি জুয়েলার্সের কর্মচারী আমির হোসেন ও দোকানের মালিকের মামাতো ভাই আবুল কালাম আজাদ দোকান থেকে ১৪ ভরি ৭ আনার স্বর্ণালংকার ও ১০৭ ভরি রুপার অলংকার নিয়ে মালিক ইয়াসিনের বাসায় যাওয়ার জন্য রওনা হন। এ সময় তাঁরা কাজীবাড়ী মোড়ের উত্তোলন স্কুলের সামনে পৌঁছালে একটি সাদা রঙের মাইক্রোবাস তাঁদের পথরোধ করেন।

default-image

এরপর ওই গাড়ি থেকে ডিবি পুলিশের জ্যাকেট পরা ৬-৭ জন লোক আমির ও আজাদকে তল্লাশির কথা বলে জোর করে গাড়িতে ওঠান। এরপর তাঁরা ওই দুজনকে মারধর করেন। এ সময় ডাকাত দল তাদের সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার লুটে নেয়। এ ঘটনা কাউকে জানালে বা থানা-পুলিশ করলে খুনের হুমকি দেওয়া হয়। এরপর তাঁদের কোনাবাড়ীর মৌচাক এলাকায় এনে রাস্তার পাশে ফেলে যায় ডাকাত দল।

ঘটনার দুদিন পর ২১ সেপ্টেম্বর টঙ্গী পূর্ব থানায় মামলা হয়। মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ ঢাকার দক্ষিণ কেরানীগঞ্জ, ঢাকা মহানগরীর শাহবাগ ও পল্টন থানা এলাকায় অভিযান চালিয়ে গতকাল বুধবার ওই সাত ডাকাতকে গ্রেপ্তার করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন