বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহতের পরিবার ও পুলিশ জানায়, গতকাল সকালে হৃদয় গোমেজের মা জমি রেজিস্ট্রি করতে উপজেলা সাবরেজিস্ট্রার অফিসে যান। এ সময় হৃদয় গোমেজ একা বাড়িতে ছিলেন। কাজ শেষে সন্ধ্যা সাতটায় হৃদয়ের মা বাড়ি ফিরে দেখেন বাড়ির বাইরের গ্রিলের দরজায় তালা ও দরজা ভেতর থেকে বন্ধ করা। এরপর তিনি দরজা খোলার জন্য অনেকক্ষণ ডাকাডাকি করেন। কিন্তু কোনো সাড়াশব্দ না পেয়ে হৃদয়ের মা ঘরের জানালা দিয়ে উঁকি দিয়ে দেখেন ঘরের মেঝেতে হৃদয় ও ইভানার লাশ পড়ে আছে।

এরপর হৃদয়ের মায়ের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ রাত সাড়ে নয়টায় ঘটনাস্থলে এসে লাশ দুটি উদ্ধার করে। এ সময় ওই ঘর থেকে একটি রক্তমাখা ছুরি উদ্ধার করা হয়।

কালীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান জানান, ইভার ঘাড়ে এবং হৃদয়ের পেটে ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। ইভানার লাশের ওপরেই হৃদয়ের লাশটি পড়ে ছিল। এ সময় হৃদয়ের হাতের পাশ থেকে একটি রক্তাক্ত ছুরি পাওয়া গেছে। ঘটনাটি হত্যা না আত্মহত্যা, সেটি তদন্তের পর বলা যাবে। তবে এ ঘটনায় আজ বৃহস্পতিবার বিকেল পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। পুলিশ বাদী হয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করে গতকাল রাতেই লাশ ময়নাতদন্তের জন্য গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজের মর্গে পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন