বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সিরাজগঞ্জের তালগাছি গরুর হাট থেকে আটটি গরু নিয়ে ঢাকার গাবতলী হাটে যাচ্ছিলেন ব্যাপারী আবদুল মান্নান। তিনি বলেন, ‘সিরাজগঞ্জ থেকে চন্দ্রা আসতে সাধারণত সময় লাগে সাড়ে তিন ঘণ্টা। কিন্তু আজ ভোর পাঁচটায় আমি রওনা হয়েছিলাম। চন্দ্রায় এসে পৌঁছেছি দুপুর সাড়ে ১২টায়। ঢাকায় যেতে কত সময় লাগবে, তা বুঝতে পারছি না। গরুগুলো গরমে অসুস্থ হয়ে পড়ছে।’

হাইওয়ে পুলিশ বলছে, ঈদ সামনে রেখে বিধিনিষেধ শিথিল করায় গাজীপুরের ঢাকা-ময়মনসিংহ এবং ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বেড়েছে। লোকজনের চলাচলও অনেক বেড়ে গেছে। সকাল থেকেই পণ্যবাহী বিভিন্ন ধরনের যানবাহনের সঙ্গে ব্যক্তিগত গাড়ি, দূরপাল্লার বাস কোরবানির পশুবাহী ট্রাকের সংখ্যা বেড়ে যায়। তা ছাড়া বিআরটি (বাস র‌্যাপিড ট্রানজিট) প্রকল্পের কাজ চলমান থাকায় ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বিভিন্ন স্থানে যানবাহন চলাচল করছে থেমে থেমে। সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা কাজ করে যাচ্ছেন।

গাজীপুরের কোনাবাড়ী হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর গোলাম ফারুক বলেন, পোশাক কারখানা ছুটি হলে সড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে। তখন ভিড় বেশি হবে, তাই আগেই সাধারণ মানুষ বিশেষ যাদের ঢাকায় কোনো কাজ নেই, তাঁরা আগেভাগে বাড়ি ফেরার চেষ্টা করছেন। সড়কের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ চেষ্টা করে যাচ্ছে।

কালিয়াকৈর থানার ওসি মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, কালিয়াকৈর অংশে যানজট তেমন নেই বললেই চলে। তবে নবীনগরের দিকে বেশ যানজট রয়েছে। এ ছাড়া গাজীপুরের ভোগড়া এলাকায়ও বেশ যানজট দেখা দিয়েছে। পুলিশ পরিস্থিতি মোকাবিলার চেষ্টা করছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন