মোটরসাইকেলের কাগজপত্র যাচাইয়ের নামে তাঁদের দেহ তল্লাশিসহ নানাভাবে হয়রানি ও মামলা দিয়ে গ্রেপ্তারের ভয় দেখান পুলিশ সদস্যরা।

আলফাজ ও মনিরের অভিযোগ, দুই কনস্টেবল পকেট তল্লাশি করে ৬ হাজার ৮০০ টাকা নিয়ে নেন এবং তাঁদের বাড়িতে খবর দিয়ে আরও টাকা আনতে বলেন। ছেলেদের আটক করার খবর পেয়ে রাতেই মনির ও আলফাজের বাবা ঘটনাস্থলে যান। পরে আরও ৬ হাজার টাকা দিলে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আলফাজ ও মনির আরও বলেন, দুই মাসের নতুন একটি মোটরসাইকেল নিয়ে বেড়াতে যান তাঁরা। মোটরসাইকেল কেনার রসিদও তাঁদের সঙ্গে ছিল। সেটি দেখালেও পুলিশ নানাভাবে ভয়ভীতি দেখায়। পরে ১২ হাজার ৮০০ টাকা দিলে তাঁদের ছেড়ে দেওয়া হয়।

আজ শুক্রবার বেলা সাড়ে তিনটার দিকে মুঠোফোনে জানতে চাইলে বাসন থানার এএসআই শাহদত হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ‘ভাই আমি চৌরাস্তা এলাকায় আছি, আপনি আমার সঙ্গে দেখা করেন। আর কাউকে বলার দরকার নাই। আপনি আসেন, আমি তাদের টাকা দিয়ে দেব।’

গাজীপুর মহানগর পুলিশের উপকমিশনার (অপরাধ) জাকির হাসান বলেন, ভুক্তভোগীরা অভিযোগ দিলে তাঁদের (পুলিশ সদস্য) বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন