বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নিহত শ্রমিকের নাম ফারুক হোসেন (১৯)। তিনি ময়মনসিংহের মুক্তাগাছা উপজেলার মণ্ডলসেন এলাকার আবদুল মালেকের ছেলে।

একপর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকেরা আটক করা বাসে অগ্নিসংযোগ করেন। একই সময়ে শ্রমিকেরা কারখানার সামনের মহাসড়কে বিক্ষোভ করে ১০-১২টি যানবাহনের কাচ ভাঙচুর করেন।

শ্রমিক ও পুলিশ সূত্র জানায়, মহাসড়কের পাশেই ভোগড়া এলাকায় আলিফ ক্যাজুয়াল ওয়্যার লিমিটেডের কারখানা। সেখানকার অনেক শ্রমিক প্রতিদিনের মতো দুপুরের খাবার খাওয়ার জন্য বাসায় যান। খাওয়া শেষে কারখানায় ফেরার সময় ময়মনসিংহগামী শ্যামলী বাংলা পরিবহনের একটি দ্রুতগামী বাসের চাপায় গুরুতর আহত হন শ্রমিক ফারুক হোসেন। এ সময় আশপাশের লোকজন বাসটি আটক করেন। আহত ফারুককে হাসপাতালে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়।

ফারুকের মৃত্যুর খবর কারখানায় ছড়িয়ে পড়লে শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে মহাসড়কে অবস্থান নেন ও বিক্ষোভ করেন। একপর্যায়ে উত্তেজিত শ্রমিকেরা আটক করা বাসে অগ্নিসংযোগ করেন। এ সময় যাত্রীরা দ্রুত বাস থেকে নেমে পড়ায় সেখানে হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। খবর পেয়ে গাজীপুর ফায়ার সার্ভিসের সদস্যরা এসে আগুন নেভান। একই সময়ে শ্রমিকেরা কারখানার সামনের মহাসড়কে বিক্ষোভ করে ১০-১২টি যানবাহনের কাচ ভাঙচুর করেন। পরে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওই কারখানার শ্রমিক আশরাফুল ইসলাম বলেন, কারখানার সামনে কোনো পদচারী–সেতু নেই। এ কারণে তাঁদের ঝুঁকি নিয়ে সড়ক পার হতে হয়।

এদিকে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ থাকায় উভয় দিকে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। তবে পুলিশ শ্রমিকদের শান্ত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন