বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ওই নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সুনির্দিষ্ট কোনো কারণ ছাড়া শ্রমিকদের আন্দোলেনর ফলে কারখানার তৃতীয় ও চতুর্থ তলার সুইং সেকশনের অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে। এ কারণে অনির্দিষ্টকালের জন্য কারখানা বন্ধ ঘোষণা করা হলো। কারখানা খোলার অনুকূল পরিবেশ হলে নোটিশের মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

আজ সকালে কারখানার সামনে এই নোটিশ দেখতে পেয়ে শ্রমিকেরা উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তাঁরা বিক্ষোভ শুরু করেন। একপর্যায়ে শ্রমিকেরা কারখানার সামনে ভাঙচুর শুরু করেন। খবর পেয়ে সদর থানার পুলিশ ও শিল্প পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে শ্রমিকদের বুঝিয়ে শান্ত করার চেষ্টা করে। এ সময় শ্রমিকেরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়তে থাকেন। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ ও লাঠিপেটা করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারখানার কয়েক শ্রমিক বলেন, কয়েক দিন আগে কোনো কারণ ছাড়াই কারখানার একজন ইনচার্জকে কর্তৃপক্ষ চাকরিচ্যুত করে। কেন তাঁকে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে, বিষয়টি জানতে শ্রমিকেরা আন্দোলন করেন। এর জেরে ৮৫ শ্রমিককে ছাঁটাই করা হয়। ছাঁটাই করা শ্রমিকদের ফিরিয়ে নেওয়া না হলে আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
ওই প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপক মো. বদরুজ্জামান বলেন, আলোচনার মাধ্যমে বিষয়টি সমাধান করার চেষ্টা চলছে।

শিল্প পুলিশের পরিদর্শক ফরহাদ আব্বাস বলেন, ওই প্রতিষ্ঠানের দুটি সেকশন বন্ধ করে দেওয়ায় শ্রমিকেরা ক্ষুব্ধ হয়ে আন্দোলন শুরু করেন। এ সময় শ্রমিকেরা ইটপাটকেল ছুড়লে কয়েক পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ১৯টি কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন