বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, ঢাকা-ময়মনসিংহ মহাসড়কের গাজীপুরের চান্দনা চৌরাস্তা থেকে টঙ্গী পর্যন্ত ১২ কিলোমিটার পথে বিআরটি প্রকল্পের কাজ চলছে। এ ছাড়া মঙ্গলবার সকাল থেকে টানা কয়েক ঘণ্টা বৃষ্টি হওয়ায় সড়কের বিভিন্ন স্থানে পানি জমে আছে। ঈদে একসঙ্গে অনেক মানুষ গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা দেওয়ায় মহাসড়কে যানবাহনের চাপ কয়েক গুণ বেড়েছে। এতে সকাল থেকেই থেমে থেমে গাড়ি চলছে। বিকেল সাড়ে চারটার দিকেও মহাসড়কের বিভিন্ন স্থানে যানজট দেখা দিয়েছে। চান্দনা চৌরাস্তা, ভোগড়া, মালেকের বাড়ি, বোর্ডবাজার, টঙ্গী কলেজ গেট, স্টেশন রোডসহ আশপাশের এলাকায় থেমে থেমে যানবাহন চলছে।

ঢাকার উত্তরা এলাকার বাসিন্দা আমির হোসেন যাবেন টাঙ্গাইলের দেলদুয়ারে। তিনি বলেন, ‘সকাল আটটায় বাসা থেকে বের হয়েছি। গাজীপুরের ভোগড়া আসতে লেগেছে চার ঘণ্টা। তবে ভোগড়া থেকে চন্দ্রা পর্যন্ত তাঁর খুব বেশি সময় লাগেনি। চন্দ্রা থেকে টাঙ্গাইলের নাটিয়াপাড় যেতে লেগেছে ৪৫ মিনিট।’

চান্দনা চৌরাস্তা এলাকার ব্যবসায়ী মো. হাশেম সরকার বলেন, ‘যানজটের কারণে গত রাতে এবং আজ সকল থেকে মহাসড়ক দিয়ে যাওয়া যাত্রীদের দুর্ভোগে পড়তে দেখেছি। অনেকেই ছোট ছোট সন্তানকে নিয়ে ট্রাকে উঠেছেন। বৃষ্টিতে ভিজে তাঁদের একেবারে নাজেহাল অবস্থা।’

মাওনা হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামাল হোসেন জানান, অতিরিক্ত চাপ সামলাতে ঈদে ঘরমুখী মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মাওনা হাইওয়ে পুলিশের ২০জ ন সদস্য রাতভর কাজ করছেন। এখানো তাঁরা কাজ করছেন। মহাসড়কের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে কোনো গাড়ি দাঁড়াতে দেওয়া হচ্ছে না।

ময়মনসিংহগামী এন পরিবহনের সহযোগী আশরাফুল ইসলাম জানান, সকাল ছয়টার দিকে মহাখালী থেকে রওনা হয়ে চান্দনা চৌরাস্তায় এসে পৌঁছায় বেলা সাড়ে ১১টায়। রাস্তায় পানি জমে থাকায় দুর্ভোগ আরও বেড়েছে।

গাজীপুর মেট্রোপলিটনের ট্রাফিক বিভাগের সহকারী কমিশনার মেহেদি হাসান বলেন, ‘আমাদের মূল সমস্যা বিআরটি প্রকল্পের উন্নয়নকাজ। তারপরও আমরা যানজট নিরসনে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছি। মহাসড়কে হঠাৎ হঠাৎ যানবাহনের চাপ বেড়ে যায়। তখন কিছুটা যানজটের সৃষ্টি হয়। যানজট নিরসনে মহাসড়কে পুলিশ বাড়ানো হয়েছে।’

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন