শিমুলিয়া ঘাটের ট্রাফিক পুলিশ পরিদর্শক আমিনুর রহমান সকাল সাড়ে ১০টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ঘাটে মোটরসাইকেলের চাপ খুব বেশি। ভোর থেকে তিন হাজারের বেশি মোটরসাইকেল পার করা হয়েছে। অপেক্ষায় রয়েছে আরও পাঁচ শতাধিক। ১ নম্বর ঘাট দিয়ে শুধু মোটরসাইকেল পার করা হচ্ছে। ভোরে ঘাটে গাড়ির কিছুটা চাপ ছিল। তবে বর্তমানে দুই শতাধিক ছোট গাড়ি পারাপারের অপেক্ষায় রয়েছে।

আজ বেলা ১১টার দিকে শিমুলিয়াঘাটে প্রবেশ পথে দেখা যায়, শিমুলিয়া-ভাঙ্গা মোড়ে পুলিশের তল্লাশিচৌকি বসানো হয়েছে। সেখানে যানবাহন থেকে যাত্রীরা নেমে পায়ে হেঁটে ঘাটের দিকে আসছেন। ঘাটে প্রবেশ করতেই চোখে পড়ে যাত্রী ও যানবাহনের জটলা। ১ নম্বর ঘাটের সংযোগ সড়কে মোটরসাইকেলের দীর্ঘ সারি।

মোটরসাইকেলে যশোরে রওনা হয়েছেন মো. মাহমুদ। তিনি বলেন, ‘ঢাকায় একটা ব্যবসা করি। প্রিয়জনদের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামে যাচ্ছি। দুই ঘণ্টা হয় মোটরসাইকেল নিয়ে সিরিয়ালে দাঁড়িয়ে আছি।’

default-image

শিক্ষার্থী মোসাদ্দেক শেখের বাড়ি গোপালগঞ্জের বেতগ্রামে। তিনি বলেন, ‘পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ করতে বাড়িতে যাচ্ছি। ঘাটে এসে দেখি ফেরি নেই। রোদে পুড়ে অপেক্ষা করছি।’

স্বামীর সঙ্গে মোটরসাইকেলে করে শিমুলিয়াঘাটে এসেছেন শাহনাজ নামের এক গৃহিণী। তাঁরা যাবেন সাতক্ষীরার পারুলিয়ায়। শাহনাজ বলেন, ‘ফেরিসংকটে বাচ্চা নিয়ে ঘাটে বসে আছি।’

বিআইডব্লিউটিসির শিমুলিয়া ঘাটের উপমহাব্যবস্থাপক মো. শফিকুল ইসলাম বেলা ১১টার দিকে প্রথম আলোকে বলেন, ঘাটের অবস্থা অন্য সময়ের তুলনায় ভালো। যানবাহনের তেমন চাপ নেই। তবে সকাল থেকে মোটরসাইকেলের অনেক চাপ রয়েছে। শৃঙ্খলা বজায় রাখতে শুধু মোটরসাইকেল পারাপারের জন্য ১ নম্বর ঘাট নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন