বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মামলা সূত্রে জানা গেছে, মাসুমের ঘরে গুপ্তধন আছে, এমন তথ্য তাঁকে জানান প্রতারক চক্রের সদস্য জুয়েল। গুপ্তধন তুলতে ভারত থেকে তান্ত্রিক ভাড়ার কথা বলে প্রথম দফায় গত ১৫ এপ্রিল এক লাখ টাকা হাতিয়ে নেয় ওই চক্র। দ্বিতীয় দফায় ৩ সেপ্টেম্বর তান্ত্রিক নিয়ে আসার খরচ বাবদ আবার পাঁচ হাজার নেন জুয়েল।

এরপর ১৭ সেপ্টেম্বর জুয়েল, আরিফ ও তারেক তাঁর বাড়িতে আসেন। এ সময় তাঁরা মাসুমের ঘরের মাটি খুঁড়ে গুপ্তধন খুঁজতে শুরু করেন। তাঁরা স্বচ্ছ কাচের পেপারওয়েট মাটিতে পুঁতে রেখে সাদা কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখেন। সেটি পরিশোধিত করতে তাঁরা সিঁদুর, রক্ত, সাপের মাথা কেনার জন্য আরও ৪০ হাজার টাকা হাতিয়ে নেন।

এরপর মাসুমের সন্দেহ হয়। তাই গতকাল তাঁর বাড়িতে চক্রের সদস্যরা এলে তাঁদের আটকে রেখে থানায় খবর দেন তিনি। এরপর পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে জুয়েল পালিয়ে যান। ওই সময় পুলিশ আরিফ ও তারেককে আটক করে। এ ঘটনায় মাসুম রাজাপুর থানায় প্রতারণার মামলা করলে তাঁদের ওই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

রাজাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. শহিদুল ইসলাম বলেন, গ্রেপ্তার প্রতারক চক্রের দুই সদস্যকে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের গ্রেপ্তার করতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন