বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

প্রেস ব্রিফিংয়ে র‌্যাব-৬-এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মোহাম্মদ মোসতাক আহমেদ বলেন, সম্প্রতি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে গুম করার বিভিন্ন অপপ্রচার প্রতিরোধে ও বিষয়গুলো খতিয়ে দেখার জন্য বিভিন্ন নিখোঁজ ব্যক্তির তথ্য সংগ্রহ ও প্রয়োজনীয় কার্যক্রম শুরু করে র‌্যাব-৬-এর একটি আভিযানিক দল। এরই অংশ হিসেবে আভিযানিক দলটি গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি করে তথ্যপ্রযুক্তির মাধ্যমে নিখোঁজ ব্যক্তির অবস্থান নিশ্চিতের চেষ্টা করছে।

র‌্যাব-৬-এর অধিনায়ক বলেন, রফিক নিখোঁজের পর পরিবারের পক্ষ থেকে খুলনা নগরের সোনাডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়। দীর্ঘদিন না পেয়ে তাঁকে অপহরণ করে গুম করা হতে পারে, এমন গুজবও ছড়ানো হচ্ছিল। ব্যাপারটি তদন্তে নেমে র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা তথ্যপ্রযুক্তি ব্যবহার করে রফিকের অবস্থান শনাক্ত করেন। পরে কক্সবাজারের শাহিন বিচ এলাকায় অভিযান চালিয়ে রফিককে উদ্ধার করতে সক্ষম হন।

মোসতাক আহমেদ বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে রফিক জানিয়েছেন, চাকরি হারানোর পর হতাশা থেকে মুক্তির জন্য তিনি আত্মগোপন করেছিলেন। এ সময় তিনি প্রথমে ঢাকায় সাত মাস মাস্ক বিক্রয় করেন। তিন মাস ঢাকা সদরঘাটে হকার হিসেবে খেলনা বিক্রি করেন। মুন্সিগঞ্জেও ৯ দিন হকারি করেছিলেন। নারায়ণগঞ্জে পাঁচ মাস টোকাই হিসেবে পুরোনো বোতল ও লোহা কুড়িয়ে বিক্রি করেন। সর্বশেষে কক্সবাজার শাহিন বিচের ইউনুসের চায়ের টংদোকানে মাসিক ৯ হাজার টাকা বেতনে চাকরি শুরু করেছিলেন।

আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য রফিককে খুলনার সোনাডাঙ্গা থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে বলে জানান মোসতাক আহমেদ।

রফিক হোসেনের নিখোঁজের ঘটনায় গত বছরের ১৩ জানুয়ারি মোছা. মঞ্জুরা বেগম বাদী হয়ে সোনাডাঙ্গা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছিলেন। তাতে তিনি উল্লেখ করেছিলেন, ৭ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর আর বাড়ি ফেরেননি রফিক হোসেন। ওই সময় থেকে রফিকের ব্যবহৃত দুটি মুঠোফোন নম্বরও বন্ধ পাওয়া যাচ্ছিল। বিভিন্ন জায়গায় খুঁজেও তাঁরা রফিকের সন্ধান পাননি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন