বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ সময় অপু শেখ নামের স্থানীয় এক তরুণ মুঠোফোনে উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আতিয়ার রহমানকে বিষয়টি জানান। পরে আতিয়ারসহ ছাত্রলীগের অন্য নেতারা জাকিরের মোড়ে তিনটি ভ্যানের পথ রোধ করেন। এ সময় বকগুলো ফেলে পালিয়ে যান ওই ব্যবসায়ী।

আতিয়ার রহমান বলেন, বন্যার পানি নেমে যাওয়ায় জলাশয়গুলোতে নানা প্রজাতির মাছ এসেছে। এসব মাছ শিকারে বকসহ নানা প্রজাতির পাখির আনাগোনা বাড়ছে। এই সুযোগে একশ্রেণির মানুষ ফাঁদ পেতে বকসহ অন্যান্য পরিযায়ী পাখি শিকার করছেন।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. তমাল হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের নেতারা ভালো কাজ করেছেন। তাঁদের মতো উপজেলার সব মানুষ সচেতন হলে পাখি শিকার বন্ধ করা সম্ভব হবে। তাহলেই প্রকৃতি বাঁচবে।

উপজেলা বন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান জানান, গত বছর পাখি শিকার বন্ধে সচেতনতামূলক প্রচার–প্রচারণা চালানো হয়েছিল। তবে এ বছর জনবলসংকটের কারণে সেটি সম্ভব হচ্ছে না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন