বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এ ঘটনায় উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক লীগের সদস্য কাজী আখলাকুর রহমান বাদী হয়ে রেদোয়ান আহমেদকে প্রধান আসামি করে ১৯ জনের নামে মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাতনামা আরও ২০ থেকে ২৫ জনকে আসামি করা হয়। প্রাণনাশের চেষ্টার মামলায় তাঁকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে গতকাল বিকেলে চান্দিনা থানা থেকে রেদোয়ানকে কুমিল্লার ৭ নম্বর আমলি আদালতে আনা হয়। আদালতের বিচারক আবু বকর ছিদ্দিক তাঁকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। পরে তাঁকে কারাগারে পাঠানো হয়।

বাদীপক্ষের আইনজীবী শাহজালাল মিঞা বলেন, আজ বেলা ১১টায় কুমিল্লার আদালতে রেদোয়ানের পক্ষে অন্তত ৪২ জন আইনজীবী জামিন চেয়ে উপস্থিত হন। রেদোয়ানের আইনজীবীরা জামিনের পক্ষে জোর দাবি জানান। বাদীপক্ষ থেকে তাঁরা বলেছেন, অস্ত্র হাতে নিয়ে প্রকাশ্যে দুটি ছেলের হাত ও পায়ে গুলি করা ব্যক্তিকে জামিন দেওয়া ঠিক হবে না। আদালত যুক্তি মেনে নিয়ে তাঁর জামিন নামঞ্জুর করেছেন।

মামলার বাদী কাজী আখলাকুর রহমান বলেন, ‘আমরা রেদোয়ান আহমেদের শাস্তি চাই। কর্মীদের হত্যার উদ্দেশ্যে তিনি গুলি করেন। এটা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।’

এলডিপির চান্দিনা উপজেলা সাধারণ সম্পাদক মো. আবু তাহের বলেন, অন্যায়ভাবে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে তাঁদের নেতাকে মামলা দিয়ে গ্রেপ্তার করা হয়। তাঁরা রেদোয়ান আহমেদের মুক্তি চান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন