বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পাইকগাছা থানার পুলিশ সূত্রে জানা যায়, দুই বছর আগে ওই গৃহবধূর সঙ্গে অভিযুক্ত মুজাহিদুল ইসলামের প্রেমের সম্পর্ক ছিল। তখন তিনি অবিবাহিতা ছিলেন। বিভিন্ন সময় তাঁরা ভিডিও কলে কথা বলতেন। এমনই একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও মুজাহিদুল ধারণ করে রাখেন।

সম্প্রতি মুজাহিদুল ফেসবুকের একটি মেসেঞ্জার গ্রুপে ভিডিওটি ছড়িয়ে দেন। গত ১০ জুলাই রাতে ফেসবুকে নগ্ন ভিডিও প্রকাশের বিষয়টি গৃহবধূ তাঁর এক আত্মীয়ের মাধ্যমে জানতে পারেন। পরে মঙ্গলবার বিকেলে তিনি পাইকগাছা থানায় পর্নোগ্রাফি নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন। মামলা দায়েরের পর তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় রাতে মূল অভিযুক্তসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পাইকগাছা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এজাজ শফী প্রথম আলোকে বলেন, মূল আসামি মুজাহিদুল একটি ঘড়ির দোকানের কর্মচারী। ফেসবুকে একটি পর্নো মেসেঞ্জার গ্রুপে তিনি ভিডিওটি আপলোড করেন। অন্য আসামিরা বিভিন্নজনকে তা শেয়ার করেন। এ মামলায় অভিযুক্ত অন্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে। এ ঘটনায় জড়িতরা একটি সংঘবদ্ধ সাইবার অপরাধ গ্রুপের সদস্য বলেও জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন