বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম ঘটনাটি তদন্তের জন্য গতকাল তিন সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। তদন্ত কমিটির প্রধান দাউদকান্দি পৌর সদরের দোনারচর ২০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সিনথিয়া তাসমিম। কমিটির অন্য দুই সদস্য হলেন দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক মো. নজরুল ইসলাম ও ডেন্টাল সার্জন আমেনা আক্তার রাবেয়া।

গৃহবধূর স্বামীর অভিযোগ, তাঁর স্ত্রী নার্গিস আক্তার অ্যালার্জিজনিত সমস্যা নিয়ে গত ১৪ আগস্ট স্থানীয় শহীদনগর বাজারের পল্লিচিকিৎসক হারুন অর রশিদের কাছে যান। তাঁর চিকিৎসায় নার্গিসের স্বাস্থ্যের অবনতি ঘটতে থাকে। ওই পল্লিচিকিৎসকের কাছে আবারও যান তাঁরা। এরপর তিনি যে চিকিৎসাপত্র দেন, সেই অনুযায়ী চিকিৎসায় তাঁর অবস্থার আরও অবনতি হয়। স্ত্রীর বাঁ হাতে পচন ধরে গেলে অস্ত্রোপচার করা হয়।

দাউদকান্দি উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মো. শহীদুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেন। তিনি বলেন, পল্লিচিকিৎসক গৃহবধূর পরনের কয়েকটি ময়লা কাপড়ের ওপর দিয়ে ইনজেকশন দিয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এতে হাতের ভেতরের সংক্রমণে পচন ধরে পুঁজ জমাট বেঁধেছে। তা ছাড়া একজন পল্লিচিকিৎসক নিজেকে চিকিৎসক লিখে ছাপানো ব্যবস্থাপত্রে চিকিৎসা দিতে পারেন না।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন