প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সিনিয়র সচিব বলেন, এখানে গ্রামীণ আবহে পারিবারিক পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। ভূমিহীন ও গৃহহীনদের জন্য ঘর নির্মাণের পাশাপাশি স্কুল, মসজিদ, মন্দির, পুকুর ও খেলার মাঠ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ সামাজিক সুবিধার যা যা প্রয়োজন, সবই এখানে রয়েছে। এসব সুবিধা দিয়ে দেশের আর কোথাও আশ্রয়ণ প্রকল্প নির্মাণ করা হয়নি।

তোফাজ্জল হোসেন মিয়া আরও বলেন, ‘কাজের মান নিয়ে আমি সন্তুষ্ট। এখানে ৪০০ পরিবারের প্রায় ১ হাজার ৬০০ জনের বেশি মানুষ বসবাস করবে। প্রতিটি পরিবার পানি ও বিদ্যুৎ পাবে।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর, মহিলা ও শিশুবিষয়ক অধিদপ্তর, বিআরডিবি ও সমাজসেবা অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা এখানের গৃহহীনদের প্রশিক্ষণ দেবেন। আত্মনির্ভরশীল হতে তাঁরা সরকারি ঋণ সুবিধাও পাবেন।

আশ্রয়ণ প্রকল্প এলাকা পরিদর্শনকালে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মহাপরিচালক (প্রশাসন) আহসান কিবরিয়া সিদ্দিক, আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের পরিচালক (যুগ্ম সচিব) আবু ছালেহ মোহাম্মদ ফেরদৌস খান, চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনার আশরাফ উদ্দিন ও ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা প্রশাসক মো. শাহ্গীর আলম, কসবার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদ উল আলম, কসবা পৌরসভার মেয়র গোলাম হাক্কানী প্রমুখ। এ সময় প্রকল্প এলাকায় বৃক্ষরোপণ করেন অতিথিরা।

আশ্রয়ণ প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, ১২ দশমিক ৩৫ একর জায়গায় ৪০০ ঘর তৈরি করা হচ্ছে। একসঙ্গে কাজ করছেন ৩০০ শ্রমিক। ২ শতাংশ জমির ওপর নির্মিত প্রতিটি ঘর নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ২ লাখ ৫৯ হাজার ৫০০ টাকা। এই আশ্রয়ণ প্রকল্পের নির্মাণে ব্যয় হচ্ছে ১০ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। আগামী জুলাই মাসের মধ্যে প্রকল্পের কাজ শেষ হবে এবং ভূমিহীনদের ঘরে তোলা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন