default-image

কাউন্সিলর ও মহিলা কাউন্সিলর পদে ভোটাররা ইভিএমে ভোট দিচ্ছেলেন কাপড় দিয়ে ঘিরে রাখা গোপন কক্ষে। কিন্তু মেয়র পদে একইভাবে ভোট দেওয়ার কথা থাকলেও সেই সুযোগ ছিল না। কারণ, মেয়র পদের ইভিএম রাখা ছিল বাইরে। সেখানে আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থীর নৌকা মার্কায় ভোট দেওয়া হচ্ছিল প্রকাশ্যে।

এই দৃশ্য আজ শনিবার দুপুরের সাভারের স্বর্ণকলি আদর্শ বিদ্যালয়ের দুটি ভোটকেন্দ্রের। সেখানে পুরুষের ৬টি ও নারীদের জন্য ৭টি বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছিল। কেন্দ্র দুটিতে মোট ভোটার ৫ হাজার ২৭৫ জন।

বেলা ১১টার দিকে ওই কেন্দ্র দুটিতে গিয়ে অনেক ভোটারের উপস্থিতি চোখে পড়ল। মহিলা ভোটকেন্দ্রের ২ নম্বর ভোটকক্ষের দিকে যাওয়ার সময় বাধা দেন দায়িত্বরত এক পুলিশ সদস্য। কিছুক্ষণ অপেক্ষার পর প্রিসাইডিং কর্মকর্তা গৌতম কুমারের সঙ্গে কথা বলে সেই ভোটকক্ষে ঢোকা গেল।

বিজ্ঞাপন

সেখানে গিয়ে দেখা গেল, কাপড় দিয়ে টানানো গোপন ভোটকক্ষের বাইরে রাখা হয়েছে একটি ইভিএম। ইভিএমের পাশে দাঁড়ানো এক নারী। তাঁর মুখে নৌকা প্রতীকের মাস্ক পরা। তিনি ভোটারদের নৌকা মার্কায় ভোট দিতে নির্দেশ দিচ্ছিলেন। কখনো ভোটারের আঙুল ধরে তিনি ইভিএমে চাপ দিচ্ছিলেন।

পুরুষ কেন্দ্রের ১ নম্বর বুথে গিয়ে দেখা গেল, ডানপাশে সহকারী প্রিসাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা ভোটারের আঙুলের ছাপ দিচ্ছেন। তাঁদের ডানে সাদা পর্দা দিয়ে বানানো হয়েছে ভোটদানের গোপন কক্ষ। এখানেও মেয়র পদের ইভিএমটি রাখা হয়েছে বাইরে, প্রকাশ্যে।

বেলা ১১টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত এই কেন্দ্র দুটিতে অবস্থান করেন প্রথম আলোর এই প্রতিবেদক। এ সময় অন্য বুথগুলোতেও এভাবে ভোট নিতে দেখা যায়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে পুরুষ ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা সিদ্দিকুর রহমান বলেন, একটু সময়ের জন্য কে বা কারা ইভিএম বাইরে নিয়েছিল। কিন্তু তা জানার পর তাৎক্ষণিকভাবে ভেতরে নেওয়া হয়েছে।

গোপন কক্ষের ইভিএম বাইরে কেন—জানতে চাইলে নারী ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা গৌতম কুমার রায় বিষয়টি এড়িয়ে যান।
সাভার পৌরসভা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের আবদুল গণি, বিএনপির রেফাত উল্লাহ ও ইসলামী আন্দোলনের মোশারফ হোসেন মেয়র পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন