গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, ১৮ জুন ভোর ৬টা থেকে ২৪ জুন রাত ১২টা পর্যন্ত গোপালগঞ্জ জেলার দুটি পৌর এলাকা, সদর উপজেলার লতিফপুর ও কাশিয়ানী উপজেলার কাশিয়ানী ইউনিয়নে এ বিধিনিষেধ বহাল থাকবে। এসব এলাকার মধ্যে সব ধরনের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান, দোকান, শপিং মল সকাল সাতটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত খোলা থাকবে। রেস্তোরাঁ রাত ১০টা পর্যন্ত খোলা থাকবে। তবে রেস্তোরাঁয় বসে খেতে পারবেন না ক্রেতারা। কাঁচাবাজার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান সকাল সাতটা থেকে বেলা তিনটা পর্যন্ত স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রাখা যাবে। তবে ফুটপাতে কোনো ধরনের দোকান বসতে পারবে না।

১১ জুন থেকে ১৭ জুন সাত দিনে ৪৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ।

গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়েছে, বিধিনিষেধ চলাকালে ওই সব এলাকায় স্বাস্থ্যবিধি মেনে সব ধরনের যানবাহন চলাচল করতে পারবে। এ ছাড়া এ সময় সব ধরনের পর্যটনকেন্দ্র, রিসোর্ট, কমিউনিটি সেন্টার ও বিনোদনকেন্দ্র বন্ধ থাকবে। জনসমাবেশ হয় এ ধরনের সামাজিক অনুষ্ঠান, রাজনৈতিক ও ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠান বন্ধ থাকবে।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন সুজাত আহমেদ প্রথম আলোকে বলেন, ২ থেকে ১০ জুন জেলায় ৫১৮ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। এর মধ্যে ৯৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ১৮ দশমিক ৩৪ শতাংশ। কিন্তু ১১ জুন থেকে ১৭ জুন সাত দিনে ৪৮৬ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ১৮০ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ৩৭ দশমিক শূন্য ৪ শতাংশ। শনাক্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় আজ গোপালগঞ্জের জেলা প্রশাসনের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাগুলোতে বিশেষ বিধিনিষেধ আরোপ করার জন্য অনুরোধ করলে জেলা প্রশাসন ১৮ জুন থেকে এসব এলাকায় বিধিনিষেধ আরোপ করে।

সিভিল সার্জন আরও বলেন, করোনাভাইরাস শনাক্তের দিক দিয়ে মুকসুদপুর উপজেলা এগিয়ে। সেখানে শনাক্তের হার ৩৩ দশমিক ৭৮ শতাংশ। এরপর গোপালগঞ্জ সদর উপজেলায় শনাক্তের হার ২৭ শতাংশ এবং কাশিয়ানী উপজেলায় শনাক্তের হার ২৬ শতাংশ।