default-image

গোপালগঞ্জ জেলায় প্রথম দিনে লক্ষ্যমাত্রার অর্ধেক করোনার টিকা নিয়েছেন। টিকা নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৮০ জন। টিকা নিয়েছেন ২৪০ জন। রোববার সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত জেলার ৫টি উপজেলার ৬টি কেন্দ্রে এই টিকা দেওয়া হয়।

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জেলায় মোট ২ হাজার ৪৪৭ জনের নিবন্ধন করা হয়। প্রথম দিনে জেলায় টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪৮০ জন। তবে টিকা নিয়েছেন ২৪০ জন। এর মধ্যে ২০৮ জন পুরুষ ও ৩২ জন নারী। সদর উপজেলায় দুটি কেন্দ্রে টিকাদানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১৫০ জন। এর মধ্যে ৬৯ জন পুরুষ ও ২১ জন নারী টিকা নেন। মুকসুদপর উপজেলায় লক্ষ্যমাত্রা ১২০ জনের মধ্যে ৭৮ জন পুরুষ ও ২ জন নারী, কাশিয়ানীতে ১০০ জনের মধ্যে ২৮ পুরুষ ও ২ নারী, কোটালীপাড়ায় ৫০ জনের মধ্যে ১৮ পুরুষ ও ২ নারী এবং টুঙ্গিপাড়ায় ৪০ জনের মধ্যে ১৫ পুরুষ ও ৫ জন নারী টিকা নিয়েছেন।

গোপালগঞ্জের সাহাপুর ইউনিয়নের ঘোষালকান্দি গ্রামের অরবিন্দু ঘোষ (৬৫) বলেন, মানুষের মধ্যে টিকাভীতির পাশাপাশি প্রচারের অভাব আছে। ফলে অনেকেই জানেন না, কোথায়, কীভাবে নিবন্ধন করতে হবে এবং কোথা থেকে টিকা নিতে হবে। অ্যাপস ব্যবহার করে নিবন্ধন করতে পারেননি বলেও জানান তিনি।

বিজ্ঞাপন

গোপালগঞ্জের সিভিল সার্জন সুজাত আহমেদ বলেন, অনলাইন অ্যাপ্লিকেশন এখনো পুরোপুরি কার্যকর হয়নি। দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যাবে। প্রচারের ক্ষেত্রে মাইকিং ও মসজিদে মসজিদে টিকা নেওয়ার জন্য প্রচার চালানো হয়। শুরুতে ডাক্তার, নার্স, স্বাস্থ্যকর্মী, পুলিশসহ সম্মুখসারির করোনাযোদ্ধাদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

রোববার সকাল ১০টায় ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে গোপালগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক কাজী শহীদুল ইসলামকে টিকা দেওয়ার মধ্য দিয়ে কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান চৌধুরী এমদাদুল হক, পুলিশ সুপার আয়েশা সিদ্দিকা, শেখ সায়ের খাতুন মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ মো. জাকির হোসেন, সিভিল সার্জন সুজাত আহমেদ, ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালের সহকারী পরিচালক অসীত কুমার মল্লিক, সদর উপজেলা চেয়ারম্যান শেখ লুৎফর রহমান, পৌরসভার মেয়র কাজী লিয়াকত আলী প্রমুখ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন