বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, দখল, দূষণ, অবৈধভাবে বালু উত্তোলন এবং প্রবাহহীনতার কারণে উত্তর জনপদের ঐতিহ্যবাহী নদী করতোয়া আজ মৃতপ্রায়। নব্বইয়ের দশকে গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জের কাটাখালি–সংলগ্ন চকরহিমপুর এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) স্লুইসগেট নির্মাণ করে। এই স্লুইসগেট নির্মাণ করে করতোয়ার প্রবাহকে নিয়ন্ত্রণ করার কারণে গাইবান্ধার পরবর্তী এলাকায় নদীটি মৃত নদীতে পরিণত হয়েছে।

মানববন্ধন শেষে বেলা রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়ের সমন্বয়কারী তন্ময় কুমার সান্যাল প্রথম আলোকে বলেন, গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জে স্লুইসগেট উন্মুক্ত করা এবং স্লুইসগেটের পরিবেশগত প্রভাব নিরূপণপূর্বক আদালতে একটি প্রতিবেদন জমা দিতে পাউবোকে আদালত নির্দেশ দিয়েছেন। এদিকে নির্দেশনা বাস্তবায়নের বিষয়টি তদারকির জন্য আদালত পরিবেশ অধিদপ্তরের রাজশাহী বিভাগীয় কার্যালয়কে দায়িত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু দীর্ঘ প্রায় সাত বছরেও আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে তেমন কোনো কার্যক্রম দেখা যায়নি। তাই করতোয়া নদী রক্ষায় আদালতের আদেশ বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবিতে এ মানববন্ধন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।

এ মানববন্ধনে আরও বক্তব্য দেন গোবিন্দগঞ্জ মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ আহসান হাবীব, শিক্ষক আবু তাহের, ফিরোজ খানুন, মোস্তাফিজুর রহমান, এলাকাবাসীর পক্ষে নার্গিস বেগম প্রমুখ।

এদিকে একই সময়ে গোবিন্দগঞ্জ ছাড়াও বগুড়ার শিবগঞ্জের গুজিয়া, মহাস্থান ব্রিজ, মাটিডালী, কালিবালা লোহার ব্রিজ, সাতমাথা, এসপি ব্রিজ, বেজোড়া ব্রিজ, শাহজাহানপুরের মাঝিরা, শেরপুরের গাড়িদহ এবং শেরপুরে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন