বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন কমিউনিস্ট পার্টির সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্ম শাখার সাধারণ সম্পাদক গণেশ মুরমু। রাফায়েল হাসদার পরিচালনায় বিক্ষোভ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন জেলা সিপিবির সভাপতি মিহির ঘোষ ও সাধারণ সম্পাদক মোস্তাফিজুর রহমান, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য প্রতিভা সরকার, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সিপিবির সভাপতি তাজুল ইসলাম, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলা সিপিবি নেতা আল মামুন মোবারক, রেজাউর করিম, যুব ইউনিয়নের নেতা মিজানুর রহমান, রুমিলা কিছকু, বার্নাবাস প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেড হতে হবে, তবে তা সাঁওতালের রক্তে ভেজা মাটি সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মে নয়।
default-image

সমাবেশে বক্তারা বলেন, গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জের রংপুর চিনিকলের আখ চাষের জন্য সাঁওতালদের বাপ-দাদার জমি অধিগ্রহণ করা হয়েছিল। চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, আখ চাষ না হলে মালিককে জমি ফেরত দেওয়ার কথা। তাঁরা বলেন, জমি ফেরতের আন্দোলন করতে গিয়ে রমেশ, মঙ্গল ও শ্যামল—তিন সাঁওতালকে হত্যা করা হয়েছে। এখনো সেই হত্যাকাণ্ডের বিচার হয়নি। আন্দোলনকারী সাঁওতাল-বাঙালিদের নামে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে। এত কিছুর পরও সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের জমিতেই কেন ইপিজেড করতে হবে? এটা সাঁওতালদের প্রতি চরম অন্যায় করছে সরকার। এর পেছনে গভীর ষড়যন্ত্র আছে বলেও তাঁরা দাবি করেন। তাঁরা আরও বলেন, কর্মসংস্থানের জন্য ইপিজেড হতে হবে, তবে তা সাঁওতালের রক্তে ভেজা মাটি সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মে নয়।

সাঁওতালদের দাবির বিষয়ে রংপুর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নুরুল কবির প্রথম আলোকে বলেন, সাহেবগঞ্জ বাগদা ফার্মের জমিতে ইপিজেড নির্মিত হলে দুই লাখ মানুষের কর্মসংস্থান হবে। এখানে সাঁওতালরা অগ্রাধিকার পাবে। চিনিকলের অধিগ্রহণ করা জমি ফেরত প্রদানের কোনো নিয়ম নেই।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন