বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সকালে মহিমাগঞ্জ চৌমাথা মোড়ে সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ করেন পরাজিত ওই তিন প্রার্থীর সমর্থকেরা। দুপুর ১২টার দিকে হরতালের সমর্থনে একটি মিছিল মহিমাগঞ্জের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে। মিছিল শেষে মহিমাগঞ্জ চৌমাথা মোড়ে এক সমাবেশ হয়। এতে বক্তব্য দেন মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মুন্সি রেজওয়ানুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী গোলাম কাদির ও ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক লীগের আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম প্রমুখ। বক্তারা বলেন, ইউনিয়নের সিংজানি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গ্রহণে নানা অনিয়ম হয়েছে। তাই কেন্দ্রটির ঘোষিত ফলাফল বাতিল করাসহ পুনরায় ভোট গ্রহণ করতে হবে।

বক্তারা আরও বলেন, সিংজানি কেন্দ্রে আওয়ামী লীগের কোনো এজেন্টকে থাকতে দেওয়া হয়নি। সকাল ১০টার পর কেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ ভোট গ্রহণে দায়িত্বরত ব্যক্তিদের সহায়তায় প্রভাব বিস্তার করে ব্যালট পেপারে সিল মারেন বিদ্রোহী প্রার্থীর লোকজন। এ কারণে কেন্দ্রটিতে অন্যান্য প্রার্থীদের প্রতীকে কম ভোট দেখানো হয়েছে। এ ঘটনায় উপজেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবরে লিখিত আবেদন করা হয়েছে।
সমাবেশে আওয়ামী লীগের পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মুন্সি রেজওয়ানুর রহমান অভিযোগ করেন, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবদুল লতিফ প্রধানের গ্রামের বাড়ি মহিমাগঞ্জে। তিনি বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করায় তাঁর (রেজওয়ানুর রহমান) পরাজয় হয়।

তবে বিদ্রোহী প্রার্থীর পক্ষে কাজ করার বিষয়ে উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আবদুল লতিফ বলেন, দলীয় প্রার্থীর আচরণগত সমস্যা ও নির্বাচনের আগে ভোটারদের ভয়ভীতি প্রদর্শন করার কারণে তাঁর পরাজয় ঘটেছে।

একই বিষয়ে নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান আনোয়ারুল ইসলাম প্রধান বলেন, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের প্রতিটি কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ করা হয়েছে। জনগণের ভোটেই চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন। অথচ পরাজিত প্রার্থীরা মনগড়া নানা অভিযোগ করছেন। অযৌক্তিক এই হরতালে জনসাধারণের কোনো সমর্থন নেই।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সাঈদ বলেন, প্রশাসনের নিরপেক্ষ ভূমিকার কারণে অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। মহিমাগঞ্জের ওই কেন্দ্রেও কোনো সমস্যা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন