পুলিশ জানায়, গতকাল রাতে স্থানীয় লোকজনের মাধ্যমে পুলিশ খবর পায় জাফলং সংগ্রামপুঞ্জি বিজিবি ক্যাম্পের প্রায় পাঁচশত গজ পূর্বে একটি টিলাসংলগ্ন জমিতে এক যুবকের লাশ পড়ে আছে। খবর পেয়ে তাৎক্ষণিকভাবে সিলেট জেলা পুলিশের গোয়াইনঘাট সার্কেলের জ্যেষ্ঠ সহকারী পুলিশ সুপার প্রবাস কুমার সিংহ, গোয়াইনঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কে এম নজরুল ইসলাম ঘটনাস্থলে গিয়ে কাউছার মিয়ার লাশ উদ্ধার করেন। পরে লাশটি সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

এর আগে গতকাল দুপুরে তোয়াকুল ইউনিয়নের পেকের খালে একটি লাশ দেখতে পান স্থানীয় লোকজন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মুক্তার হোসেনের লাশ উদ্ধার করে। পুলিশ জানায়, পেকের খাল এলাকায় লোকজনের যাতায়াত কম। ওই তরুণকে পরিকল্পিতভাবে ওই নিরিবিলি স্থানে নিয়ে হত্যা করা হতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নিহত ব্যক্তির গলায় ছুরিকাঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তাঁর মাথায় ক্ষতচিহ্ন আছে। ঘটনাস্থলের পাশ থেকে মুক্তার হোসেনের ব্যবহৃত মোটরসাইকেলও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

পরিবারের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, মুক্তার হোসেন ভাড়ায় মোটরসাইকেল চালাতেন। গত বুধবার ইফতারের পর থেকে তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। রাতে মুক্তারের ব্যবহৃত মুঠোফোনটিও বন্ধ ছিল।

ওসি কে এম নজরুল ইসলাম বলেন, জাফলং থেকে হাত-পা বাঁধা লাশ উদ্ধারের ঘটনায় পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে একজনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। দুটি ঘটনায় পুলিশের তদন্ত চলছে। তবে দুই ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো মামলা হয়নি। নিহত ব্যক্তিদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্তের পর আজ শুক্রবার লাশ দুটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন