default-image

ভারত থেকে চোরাই পথে আনা ১০৩ ভরি স্বর্ণালংকার উদ্ধার হয়েছে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলায়। এ সময় পুলিশ তাপস বণিক (৫৫) নামের একজনকে আটক করা হয়েছে।

তাপস বণিক ব্রাহ্মণবাড়িয়া পৌর শহরের কাজীপাড়ার মৃত দীনেশ চন্দ্র বণিকের ছেলে। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যে গৌরাঙ্গ দত্ত (৪৫) নামের আরেকজনকে আটক করেছে পুলিশ। গৌরাঙ্গ ঢাকার উত্তরা ১৩ নম্বর সেক্টরের ২০ নম্বর রোডের বাসিন্দা ক্ষিতীন্দ্র চন্দ্র দত্তের ছেলে।

বিজ্ঞাপন

গোয়ালন্দ ঘাট থানা-পুলিশ জানায়, ভারতীয় সোনার একটি চোরাচালানের বিষয়ে পুলিশ গোপন সংবাদ পায়। এর ভিত্তিতে শুক্রবার বিকেলে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাছরুল আলমের নেতৃত্বে একদল পুলিশ সদস্য দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ কার্যালয়ের সামনে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে অবস্থান নেন। ওই সময়ে একটি রিকশাযোগে দৌলতদিয়া ঘাটের দিকে যাচ্ছিলেন তাপস বণিক। তিনি পুলিশ দেখে দৌড়ে পালানোর চেষ্টা করেন। পুলিশ ধাওয়া করে তাঁকে আটক করে। পরে তল্লাশি করে তাপসের কোমরে রাখা ৪টি কাগজের প্যাকেট পাওয়া যায়। টেপ দিয়ে মোড়ানো ওই প্যাকেটগুলোতে সোনার চেইন, চুড়ি, কানের দুল, আংটিসহ বিভিন্ন ধরনের গয়না ছিল।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তাপস বণিক জানিয়েছেন, এসব স্বর্ণালংকার ভারত থেকে চোরাই পথে আনা। গৌরাঙ্গ দত্তের পরামর্শে এগুলো ভারত থেকে আনা হয়। চুয়াডাঙ্গার দর্শনা হয়ে বাংলাদেশে আনার পর প্রথমে আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তির কাছে স্বর্ণালংকারগুলো ছিল। তাঁর কাছ থেকে তাপস স্বর্ণালংকারগুলো নেন। কথা ছিল, তিনি গোয়ালন্দ ঘাটে আসবেন। এখানে দেখা হবে গৌরাঙ্গ দত্তের সঙ্গে। এরপর দুজনে মিলে স্বর্ণালংকারগুলো গাজীপুরে নিয়ে যাবেন। শুক্রবার বিকেল সাড়ে পাঁচটার দিকে গৌরাঙ্গ দৌলতদিয়া ফেরিঘাট এলাকায় পৌঁছান। সেখান থেকে পুলিশ কৌশলে তাঁকে আটক করে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল তায়াবীর বলেন, উদ্ধার হওয়া স্বর্ণালংকারগুলোর বৈধ কোনো কাগজপত্র নেই। জিজ্ঞাসাবাদে চোরাচালানের কথা স্বীকার করেছেন তাপস ও গৌরাঙ্গ। তাঁদের বিরুদ্ধে চোরাচালান আইনে মামলা হয়েছে। শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

বিজ্ঞাপন
জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন