বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

মোজাফফরের জামাতা আশরাফুল ইসলাম জানান, বয়স্ক এক ব্যক্তির লাশ পাওয়ার খবর পেয়ে তাঁরা আজ সন্ধ্যায় ফরিদপুর এসএনবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়িতে পৌঁছান। সেখানে শ্বশুর মোজাফফর হোসেনের লাশ শনাক্ত করেন। বিনা ময়নাতদন্তে দাফনের জন্য আবেদন নিয়ে তাঁরা সন্ধ্যার পর ফরিদপুর জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে যান।

পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গতকাল দিবাগত রাত ১০টার দিকে লালন পরিবহনের একটি বাসে করে নিহত মোজাফফর হোসেন, তাঁর মেয়ে নাসরিন আক্তার, তিন বছর বয়সী নাতনি ও ভাতিজাকে সঙ্গে করে সাভারের হেমায়েতপুরে মেয়ের বাসায় বেড়াতে যাচ্ছিলেন। রাতে দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় পৌঁছে যানজটে আটকা পড়েন। দুইটার দিকে দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরিঘাটে অপেক্ষমাণ রো রো ফেরি কেরামত আলীতে ওঠেন। যানজটে বসে ক্লান্ত অবস্থায় বাস থেকে নেমে বৃদ্ধ মোজাফফর হোসেন ফেরির সাইড পকেটের সামনে দাঁড়ান। ফেরিটি ঘাট ছেড়ে দিলে পন্টুনের ধাক্কায় পকেটের ফাঁকা জায়গা দিয়ে পদ্মা নদীতে পড়ে যান। ফেরির কর্মীরা পানিতে রশি ফেলে উদ্ধারের চেষ্টা করলে তিনি চোখের পলকে ভেসে যান। খবর পেয়ে নৌ পুলিশ, ফায়ার সার্ভিস উদ্ধার তৎপরতা চালায়।

দৌলতদিয়া নৌ পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (ওসি) সৈয়দ জাকির হোসেন বলেন, মানিকগঞ্জ থেকে ফায়ার সার্ভিসের চার সদস্যের ডুবুরি দল আজ সকালে এসে উদ্ধার অভিযান চালায়। বেলা দুইটার দিকে খবর পান, ফরিদপুরের সিএনবি ঘাট পদ্মা নদীতে এক বয়স্ক ব্যক্তির লাশ ভাসছে। সেখানকার নৌ পুলিশ লাশটি উদ্ধার করেছে। বিষয়টি পরিবারের সদস্যদের জানানো হয়।

ফরিদপুরের সিএনবি ঘাট নৌ পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রুহুল আমিন বলেন, বেলা দেড়টার দিকে স্থানীয় এক ব্যক্তি লাশ ভাসতে দেখে খবর দেন। দ্রুত পদ্মা নদীতে গিয়ে লাশটি উদ্ধার করা হয়। সন্ধ্যায় পরিবারের লোকজন এসে নিখোঁজ মোজাফফর হোসেনের লাশ হিসেবে শনাক্ত করেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন