বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

শাফি ইসলাম জিডিতে উল্লেখ করেন, খালার সঙ্গে প্রায় প্রতিদিন মুঠোফোনে তাঁর কথা হতো। ১০ নভেম্বর বিকেল চারটায় তিনি ফোনে কয়েকবার কল করলে বন্ধ পান। পরদিন ১১ নভেম্বরও ফোন বন্ধ পাওয়ায় তাঁর খোঁজে জামালপুর থেকে দৌলতদিয়ায় খালার বাড়ি আসেন। এ সময় বাড়ির ভাড়াটিয়া কয়েকজন জানান, ১০ নভেম্বর বেলা একটায় স্থানীয় সামছু মাষ্টারপাড়ার আবদুল লতিফ শেখের বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার কথা বলে বের হন। দিন শেষ হলেও তিনি আর ফেরেননি। এর পর থেকে বিভিন্ন আত্মীয়স্বজনের বাড়িসহ সম্ভাব্য সব ঠিকানায় খোঁজ নিয়েও তাঁর সন্ধান না পেয়ে গোয়ালন্দ ঘাট থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন।

এ বিষয়ে লতিফ শেখ বলেন, ওই নারীর সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের সম্পর্কের সুবাদে পারিবারিক দাওয়াত খেতে আসেন। পরে শেষে চলে যেতে চাইলে লতিফের ছেলে তাঁকে রিকশায় উঠিয়ে দিয়ে আসেন। এর পর থেকে তিনিও মুঠোফোনটি বন্ধ পাচ্ছেন।

মুক্তি মহিলা সমিতির প্রকল্প পরিচালক আতাউর রহমান বলেন, ওই নারী দীর্ঘদিন মুক্তি মহিলা সমিতির কার্যনির্বাহী কমিটির সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তাঁকে দ্রুত উদ্ধারের বিষয়ে রাজবাড়ী জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারের কাছে লিখিতভাবে অবহিত করা হয়েছে।

গোয়ালন্দ ঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আবদুল্লাহ আল তায়াবীর জানান, নিখোঁজের ব্যাপারে তিন দিন আগে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে। তাঁরা প্রযুক্তি ব্যবহার করে তাঁকে শনাক্তের চেষ্টা চালাচ্ছেন। ইতিমধ্যে তাঁর ছবি পুলিশ বিভাগের সব থানায় পাঠানো হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন