বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পিরোজপুর থেকে আসা ট্রাকের চালক মো. আলামিন বলেন, ‘রাত আটটায় এখানে এসেছি। মাত্র কয়েকটি গাড়ি পার হয়েছে। রাত থেকে পারাপারের জন্য অপেক্ষা করছি। কখন ফেরিতে উঠতে পারব, তা বলা যাচ্ছে না। এখানে খুব সমস্যায় আছি। এখানে ঘুমাতেও পারি না। আবার ঠিকমতো খাওয়াদাওয়াও করতে পারি না।’

ট্রাকের চালক হাবিবুর রহমান বলেন, ‘আমি পিরোজপুর থেকে রাত ১১টায় এসেছি। রাস্তায় খুব রোদ। রোদে গাড়িতে বসে থাকার মতো কোনো অবস্থা নেই। রোদে গাড়ি প্রচণ্ড গরম হয়ে আছে। হাত দিয়ে গাড়ির কোনো কিছু স্পর্শ করা যায় না। এ কারণে গাড়ি থেকে নেমে একটু গাছের ছায়ার আশ্রয় খুঁজি। সবচেয়ে বড় সমস্যা হলো এখানে কোনো সরকারি পায়খানা নেই। আমাদের গোসল করার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই। এই গরমের মধ্যে একটু গোসল করব, তার জন্য কোনো ব্যবস্থা নেই।’

মো. সোহাগ নামের এক চালক বলেন, ‘আমি ফরিদপুর থেকে এসেছি। নেত্রকোনা যাব। রাত আটটার দিকে এসেছি। এখানে খাওয়া বা গোসলের কোনো ব্যবস্থা নেই। স্থানীয় এক লোকের বাড়িতে আমাদের খাওয়ার জন্য রান্না করতে বলেছিলাম। তিনি ডিম ও ডাল রান্না করে এনেছেন। সবাই রাস্তার পাশে বসে খেয়েছি। শুনেছি ফেরিও সবগুলো চলছে। কিন্তু এত হয়রানি হওয়ার কারণ বুঝতে পারছি না।’

ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক তারক চন্দ্র পাল বলেন, স্বাভাবিক সময়ে ফেরি পার হতে সাধারণত ২৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। নদীতে খুব স্রোত। এ কারণে এখন দ্বিগুণের বেশি সময় লাগছে। তা ছাড়া ওপারে গাড়ি ওঠানামা করার র‌্যাম্পেও সমস্যা আছে। সব মিলিয়ে গাড়ি পারাপারে অনেক সময় লাগছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন