বিএনপির স্থানীয় কয়েক নেতা–কর্মী বলেন, গতকাল রাতে আমিনুল ইসলামের বাড়িতে বার্থী ইউনিয়ন বিএনপির কর্মী সভা আহ্বান করা হয়। রাত সাড়ে ৮টার দিকে স্থানীয় যুবলীগের নেতা–কর্মীরা সেখানে হামলা চালান। এ সময় বিএনপির নেতা–কর্মীদের মারধর করা হয়। খবর পেয়ে গৌরনদী মডেল থানার পুলিশ রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ নেতা–কর্মীকে গ্রেপ্তার করে।

আজ মঙ্গলবার সকালে থানা হেফাজতে আমিনুল ইসলাম অভিযোগ করে বলেন, ‘গতকাল রাতে কর্মী সভা চলছিল। এ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে বার্থী ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মো. মামুন প্যাদার নেতৃত্বে ৫০ থেকে ৬০ জন সন্ত্রাসী আমার বাড়িতে হামলা চালায়। ওই হামলায় আমিসহ আটজন আহত হন। থানায় খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে আমাদের ১২ জনকে ধরে নিয়ে আসে। পুলিশ আমাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা দিয়ে থানায় আনেন। গভীর রাতে থানার মধ্যে আমাদের ১২ জনকেই লাঠিপেটা করেছে পুলিশ।’

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে মো. মামুন প্যাদা প্রথম আলোকে বলেন, ‘হামলার ঘটনার সঙ্গে আমরা সম্পৃক্ত নই। পুলিশ বিএনপির নেতা–কর্মীদের গ্রেপ্তার করতে গেছে—এমন খবর পেয়ে আমরা সেখানে গিয়েছিলাম। তবে আমাদের পক্ষ থেকে হামলার ঘটনা ঘটেনি।’

গ্রেপ্তার প্রসঙ্গে গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, বিশেষ ক্ষমতা আইনে বিএনপি ও এর সহযোগী সংগঠনের ১২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ তাঁদের আদালতে নেওয়ার প্রস্তুতি চলছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন