বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বদিউজ্জামানের ভাষ্য, গতকাল রাত পৌনে আটটার দিকে গৌরনদী কাঁচাবাজারের একটু সেলুনে তিনি বসে ছিলেন। এ সময় সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি ও ছাত্র সংসদের সাবেক ভিপি সুমন মাহমুদের নেতৃত্বে ১৫ থেকে ২০ জন হামলা চালান। এ সময় হামলাকারীরা তাঁকে জিআই পাইপ দিয়ে মারধর করেন বলে জানান তিনি।

এদিকে টরকী বন্দরের ব্যবসায়ী ও বিএনপি নেতা শাহাবুব শরীফ অভিযোগ করে বলেন, গতকাল রাত আটটার দিকে তিনি টরকী বন্দরে নিজ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে বসে ছিলেন। এ সময় স্থানীয় ছাত্রলীগ ও যুবলীগের ১০ থেকে ১২ জন তাঁর ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানে ঢুকে রামদা ও লাঠিসোঁটা নিয়ে হামলা চালিয়ে তাঁকে গুরুতর জখম করেন।

এদিকে জামাল ফকিরের অভিযোগ, গতকাল রাতে তিনি পিংলাকাঠি বাজারে পৌঁছানোর পর যুবলীগের কর্মী মো. মামুন ওরফে টাইগার মামুনের নেতৃত্বে ১০ থেকে ১২ জন সন্ত্রাসী তাঁকে মারধর করে আহত করে।

অভিযোগের ব্যাপারে জানতে চাইলে সরকারি গৌরনদী কলেজ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সুমন মাহমুদ বলেন, ‘বদিউজ্জামানের ওপর হামলার ঘটনায় আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তবে শুনেছি, এলাকার ছোট ভাইদের সঙ্গে বদিউজ্জামানের ঝামেলা আছে। এ ঘটনার জেরে জুনিয়ররা তাকে মারধর করেছে।’ এদিকে আরেক অভিযুক্ত মামুনও মারধরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

বিএনপি নেতাদের ওপর হঠাৎ এমন হামলার বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আবুল হোসেন মিয়া বলেন, আগামী সংসদ নির্বাচনের আগে বিএনপির নেতা-কর্মীরা যেন ঐক্যবদ্ধ হতে না পারেন, সে জন্য আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা নানাভাবে তাঁদের ওপর হামলা-নির্যাতন চালিয়ে এলাকাছাড়া করার চেষ্টা করছেন।

গৌরনদী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আফজাল হোসেন বলেন, হামলার ঘটনা সম্পর্কে তিনি কিছু জানেন না। এখনো কেউ থানায় অভিযোগ করেনি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন