default-image

বরিশালের গৌরনদীতে ৯ বছর বয়সী একটি মেয়েশিশুকে গামছা দিয়ে মুখ বেঁধে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিশুটির বাবা বাদী হয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে এক প্রতিবেশীকে আসামি করে থানায় মামলা করেছেন।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম শাহ নেওয়াজ ব্যাপারী (৫৫)। এদিকে ধর্ষণের শিকার শিশুটিকে আজ শুক্রবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য প্রথমে বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এবং ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

গৌরনদী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান জানান, এজাহার মতে ধর্ষণের ঘটনাটি ঘটেছে ৩ নভেম্বর দুপুরে। ধর্ষণের শিকার শিশুটি স্থানীয় একটি বিদ্যালয়ের তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী। ঘটনার দিন দুপুরে শিশুটি বাড়ির আঙিনায় খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী শাহ নেওয়াজ ব্যাপারী শিশুটিকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে ঘরের মধ্যে গামছা দিয়ে শিশুটির মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন। এরপর শিশুটির হাতে তিনি ৬০ টাকা ধরিয়ে দিয়ে কাউকে কিছু বলতে নিষেধ করে বাড়ি পাঠিয়ে দেন।

দুপুরে শিশুটি (৯) বাড়ির আঙিনায় খেলছিল। এ সময় প্রতিবেশী শাহ নেওয়াজ ব্যাপারী (৫৫)) শিশুটিকে খাবারের লোভ দেখিয়ে নিজের ঘরে নিয়ে যান। পরে ঘরের মধ্যে গামছা দিয়ে শিশুটির মুখ বেঁধে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেন।
বিজ্ঞাপন

শিশুটির বাবা জানান, ঘটনার পর তাঁর মেয়ে বাড়িতে এসে অসুস্থ হয়ে পড়ে। এ সময় অসুস্থতার কারণ জানতে চাইলে একপর্যায়ে মা–বাবার কাছে শিশুটি ধর্ষণের ঘটনা খুলে বলে। পরে অভিযুক্ত ধর্ষকের অভিভাবকসহ তাঁর আত্মীয়স্বজনের কাছে বিচার দিলে তাঁরা মামলা না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।

অভিযুক্ত ধর্ষকের অভিভাবকসহ তাঁর আত্মীয়স্বজনের কাছে বিচার দিলে তাঁরা মামলা না করার জন্য ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন।
শিশুটির বাবা

পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, শিশু ধর্ষণের অভিযোগে তার বাবা বাদী হয়ে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে প্রতিবেশীকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেছেন। শিশুটিকে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য বরিশালের শেরে-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এরপর ২২ ধারায় জবানবন্দির জন্য তাকে আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।

মন্তব্য পড়ুন 0