বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গৌরনদী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বিপিন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, করোনায় দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকার পর গতকাল রোববার চালু হলে বাঘমারা বড় দুলালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক স্টিলের আলমারি খুলে কিছু ব্যালট পেপার ও ২০০ ব্যালটের মুড়ি পান।

এ বিষয়ে জানার জন্য তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও গৌরনদী উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান তালুকদারের মুঠোফোনে কল করা হলে তিনি ধরেননি। উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুল জলিল বলেন, তদন্ত কমিটির সদস্যসচিবের দায়িত্ব পাওয়ার কথা তিনি শুনেছেন। কিন্তু এখনো কোনো চিঠি পাননি।

বিদ্যালয়টির প্রধান শিক্ষক আবদুল লতিফ খান জানান, গত ২১ জুন বার্থী ইউপি নির্বাচনে এই বিদ্যালয় কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হয়। নির্বাচনে প্রিসাইডিং কর্মকর্তার দায়িত্বপালনকারী কর্মকর্তাকে নির্বাচনের আগের দিন আলমারির চাবি বুঝিয়ে দেওয়া হয়েছিল। প্রিসাইডিং কর্মকর্তা ভোট গ্রহণ সম্পন্ন করে চাবি হস্তান্তর করে চলে যান। কিন্তু করোনার কারণে বিদ্যালয় বন্ধ থাকায় এত দিন আলমারি খোলা হয়নি। বিদ্যালয় খোলার পর এসব ব্যালট ও ব্যালটের মুড়ি পাওয়া গেছে। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও ইউএনও বিপিন চন্দ্র বিশ্বাসকে জানানো হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন