বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্থানীয় ব্যক্তিরা জানান, রফিক সকালে ফজরের নামাজ পড়ে বাড়িতে আসায় স্ত্রীর সঙ্গে কথা–কাটাকাটি হয়। এর একপর্যায়ে রফিক ক্ষিপ্ত হয়ে তাঁর স্ত্রীকে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করেন। এ সময় ঘরে থাকা তাঁর মেয়েরা দ্বন্দ্ব থামাতে গেলে ব্যর্থ হয়। পরে আহত অবস্থায় ললিতাকে গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক প্রণিতা সূত্রধর জানান, হাসপাতালে নিয়ে আসার আগেই ললিতা অতিরিক্ত রক্তক্ষরণে মারা যান।

নিহতের ছোট ভাই শামীম আহাম্মেদ জানান, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে তাঁর বোনের কোনো দ্বন্দ্ব ছিল না। কিন্তু কী কারণে এই হত্যাকাণ্ড, সেটি বোঝা যাচ্ছে না। এ ঘটনায় থানায় মামলা করা হবে।

গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম সিদ্দিকী জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি। অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশি হেফাজতে থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার করা হয়েছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন