বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা রবিউল ইসলাম এ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, কয়েক দিন ধরে গণটিকা কার্যক্রম শুরু হওয়ায় চাপ বেড়েছে। দুপুরে অনেক লোকের ভিড়ের মধ্যে পৌরসভার ২ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেনের ভাই মজিবুর রহমান তাঁর চাচিকে টিকা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। এ সময় স্বাস্থ্য সহকারী মাহবুবুলকে টিকা দিতে বলেন মজিবুর। টিকাকেন্দ্রে নারী বুথ পৃথক থাকায় মাহবুবুল তাঁকে নারী বুথে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

মজিবুর রহমান তাঁর চাচিকে টিকা দিতে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসেন। টিকাকেন্দ্রে নারী বুথ পৃথক থাকায় স্বাস্থ্য সহকারী মাহবুবুল তাঁকে নারী বুথে যেতে বলেন। এ নিয়ে দুজনের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়।

এতে ক্ষিপ্ত হয়ে মজিবুর রহমান স্বাস্থ্য সহকারী মাহবুবুলের ওপর হামলা করে এলোপাতাড়ি কিল-ঘুষি মারতে থাকেন। এ সময় মাহবুবুলের নাক ফেটে রক্ত বের হতে থাকলে, সেখানে উপস্থিত কয়েকজন এগিয়ে এসে পরিস্থিতি শান্ত করেন।

এ বিষয়ে আহত স্বাস্থ্যকর্মী মাহবুবুল প্রথম আলোকে বলেন, তিনি পুরুষ বুথে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ সময় মজিবুর তাঁর সঙ্গে এক নারীকে নিয়ে এসে টিকা দিতে বলেন। তাঁদের নারী বুথে যাওয়ার জন্য অনুরোধ করলে মজিবুর উত্তেজিত হয়ে তাঁকে ধমক দিতে থাকেন। পরে মজিবুরকে চলে যাওয়ার কথা বললে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে হামলা চালান এবং কিল-ঘুষি মেরে মাহবুবুলের নাক ফাটিয়ে রক্ত বের করেন।

হামলার ব্যাপারে পৌর কাউন্সিলর দেলোয়ার হোসেন প্রথম আলোকে বলেন, ভুল–বোঝাবুঝি থেকে অনাকাঙ্ক্ষিত এই ঘটনার সৃষ্টি হয়েছে। পরে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিবেশ শান্ত করা হয়েছে এবং সন্ধ্যায় স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিকে সঙ্গে নিয়ে উভয় পক্ষের মধ্যে মীমাংসা করে দেওয়া হয়েছে। হামলাকারী মজিবুর রহমান এ ঘটনার জন্য অনুতপ্ত বলে জানিয়েছেন।

এ ব্যাপারে গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, টিকা দেওয়া নিয়ে বাগ্‌বিতণ্ডার জেরে মারধরের ঘটনা ঘটেছে বলে শুনেছেন। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো অভিযোগ করা হয়নি।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন