বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম সংযোগ মহাসড়ক থেকে সিরাজগঞ্জ-বগুড়া মহাসড়কের চান্দাইকোনা পর্যন্ত ঘুরে দেখা গেছে, ঢাকাগামী মহাসড়কে যানবাহনের চলাচল বাড়ছে। তবে মহাসড়কটির কোথাও কোনো ধরনের যানজট দেখা যায়নি। এই সময়ে বঙ্গবন্ধু সেতুর গোলচত্বর, সয়দাবাদ, কড্ডার মোড়, ঝাঐল উড়ালসেতু, নলকা সেতু, হাটিকুমরুল গোলচত্বরসহ সড়কের বিভিন্ন স্থানে পুলিশের টহল দল দেখা গেছে। এ ছাড়া নাটোর–বনপাড়া মহাসড়ক, পাবনা মহাসড়কের বিভিন্ন এলাকা ঘুরেও একই চিত্র দেখা গেছে।

বগুড়া থেকে ঢাকাগামী একতা পরিবহন বাসের যাত্রী ধুনট এলাকার পোশাককর্মী আবির হাসান বলেন, ‘এবার ঈদযাত্রায় ভোগান্তি অনেকটাই কম হয়েছে। আমি গত রোববারে স্বজনদের সঙ্গে ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে গিয়েছিলাম। ছুটির শেষ দিন বৃহস্পতিবার আমি কাজে যোগ দেব। এ জন্য আমার কর্মক্ষেত্র ঢাকার উদ্দেশে রওনা হয়েছি। মহাসড়কে যানজট নেই, তাই আমার খুব ভালো লাগছে।’

বঙ্গবন্ধু সেতু টোল প্লাজা সূত্রে জানা গেছে, স্বাভাবিক অবস্থায় এ সেতু দিয়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩ হাজার যানবাহন পারাপার হয়। ঈদকে কেন্দ্র করে কদিন ধরে ঢাকা থেকে উত্তরবঙ্গগামী লেনে যানবাহনের সংখ্যা বাড়তে থাকলেও বর্তমানে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকাগামী লেনে চাপ বাড়তে শুরু করেছে। এ চাপ সপ্তাহজুড়ে চলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

সিরাজগঞ্জের হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) লুৎফর রহমান বলেন, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পুলিশ দিনরাত ২৪ ঘণ্টা কাজ করছে। ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ঝুঁকিপূর্ণ ৩০টি স্থানে অতিরিক্ত ২০০ পুলিশ সদস্য নিরবচ্ছিন্নভাবে কাজ শুরু করেছে। কয়েক দিন ধরে এ ঘরে ফেরা মানুষের কারণে উত্তরবঙ্গগামী মহাসড়কে যানবাহনের চাপ একটু বেশি ছিলে। ঈদ আনন্দ শেষে এখন আবার কর্মক্ষেত্রে ফিরতে শুরু করেছেন মানুষ।

সিরাজগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার হাসিবুল আলম প্রথম আলোকে বলেন, ঈদযাত্রায় মহাসড়ক যানজটমুক্ত রাখতে ৩১টি ঝুঁকিপূর্ণ স্থান চিহ্নিত করে কয়েক দিন ধরে কাজ করছে জেলা পুলিশ। তবে ঈদের দিন থেকে মহাসড়কটি অনেকটাই ফাঁকা থাকায় কিছু পুলিশ সদস্যকে তুলে আনা হয়েছে। বর্তমানে সব সময় মহাসড়কটি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন