পুলিশ জানায়, গত ২২ নভেম্বর আনুমানিক বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ইমরান খন্দকারকে তাঁর মামাতো ভাই হত্যা মামলার ৮ নম্বর আসামি জিসান ফোন করে বাসায় ডেকে আনেন। সেখানে যাওয়ার পর ইমরান জিসানের বাসায় শাহ আলম, সাব্বির, জেল সোহেল, সাজন, মাসুমসহ অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে দেখতে পান। তাঁরা তিনটি কালো ব্যাগে অস্ত্র ও হাতবোমা ঢোকান। ইমরান ও জিসানও ব্যাগে অস্ত্র ও হাতবোমা ভরার কাজে হাত লাগান। তারপর ব্যাগ তিনটি ইমরান খন্দকার ও জিসানকে দিয়ে বাকিরা পালিয়ে যান। পরে তাঁরা অস্ত্র-বোমাভর্তি ব্যাগ তিনটি সংরাইশ এলাকায় রহিম ডাক্তারের গলিতে তাজিহা লজ নামের বাসার ভেতরে ফেলে দিয়ে চলে যান।

গত ২২ নভেম্বর আনুমানিক বিকেল সাড়ে চারটার দিকে ইমরান খন্দকারকে তাঁর মামাতো ভাই হত্যা মামলার ৮ নম্বর আসামি জিসান ফোন করে বাসায় ডেকে আনেন। তাঁরা তিনটি কালো ব্যাগে অস্ত্র ও হাতবোমা ঢোকান।

আজ বিকেলে ইমরান খন্দকারকে কুমিল্লার আদালতে পাঠানো হয়। আদালতে ১৬৪ ধারায় দেওয়া জবানবন্দিতে ইমরান খন্দকার অস্ত্র বহনের কথা স্বীকার করেন বলে পুলিশ জানিয়েছে।

প্রধান আসামি শাহ আলমকে দাফন

কাউন্সিলর মো. সোহেল হত্যা মামলার প্রধান আসামি গতকাল রাতে বন্দুকযুদ্ধে নিহত শাহ আলমকে জানাজা ছাড়াই দাফন করা হয়েছে। আজ বেলা তিনটার দিকে পুলিশি পাহারায় টিক্কারচর কবরস্থানে সাব্বির ও সাজনের কবরের পাশে তাঁকে দাফন করা হয়। এতে পরিবার ও এলাকার কোনো মানুষ অংশ নেননি।

২২ নভেম্বর বিকেল সাড়ে চারটার দিকে কুমিল্লা নগরের পাথুরিয়াপাড়া থ্রিস্টার এন্টারপ্রাইজে ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর মো. সোহেল ও তাঁর সহযোগী হরিপদ সাহাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ সময় আরও পাঁচজন গুলিবিদ্ধ হন। এই ঘটনায় পরদিন রাত সোয়া ১২টায় কাউন্সিলর মো. সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ এবং অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। এখন পর্যন্ত এজাহারনামীয় পাঁচজন ও সন্দেহভাজন দুজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। আর বন্দুকযুদ্ধে এজাহারনামীয় তিন আসামি নিহত হয়েছেন। ২ নম্বর আসামি জেল সোহেল, ১০ নম্বর আসামি সায়মন ও ১১ নম্বর আসামি রনি—এই ৩ জন পলাতক রয়েছেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন