বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তৈমুর বলেন, ‘আমি এই নির্বাচনে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হলেও শুরু থেকে নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড তৈরি করা হচ্ছে না। নির্বাচন কমিশন ও প্রশাসনকে বারবার অভিযোগ দেওয়া হলেও কোনো ব্যবস্থা নেই।’ এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গত রাত থেকে আমার সমর্থক ৩৭ নেতা-কর্মীর বাড়িতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। বিভিন্ন জায়গা থেকে ১৭ জনকে আটক করা হয়েছে। আমি এসপি সাহেবকে জানালাম, নানক সাহেব ঘুঘুর ফাঁদ দেখানো শুরু করেছেন।’

তৈমুর আলম খন্দকার বলেন, ‘মনিরুল ইসলাম রবি সিদ্ধিরগঞ্জের নির্বাচনী সমন্বয়ক। তাঁকে আগে গ্রেপ্তার করা হয়নি। আমি যেদিন মনোনয়নপত্র কিনেছিলাম, সেদিন তিনি পাশে ছিলেন। যেদিন জমা দিই, সেদিন পাশে ছিলেন। মার্কা যেদিন পেলাম, সেদিনও ছিলেন। তখন তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এখন কেন হলো?’ তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ঘুঘুর ফাঁদ দেখানোর কথা বলার ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই নেতা-কর্মী ও সমর্থকদের গ্রেপ্তার করা শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশে এই বর্ষীয়ান নেতা বলেন, ‘আপনি তো বলেন, বিএনপি নির্বাচনে আসে না। বিএনপি আসতে ভয় পায়। এখন দেখেন বিএনপিসহ অন্যান্য রাজনৈতিক দল কেন নির্বাচন বর্জন করে, নির্বাচনে আসতে চায় না। এর জলজ্যান্ত প্রতিচ্ছবি আপনারা এখানে দেখতে পাচ্ছেন।’ এর সঙ্গে তিনি যোগ করেন, ‘জনগণ যে রায় দেবে, সেই রায় আমরা মাথা পেতে নেব এবং জনগণের রায়ই চূড়ান্ত রায়। এখানে ঘুঘুর ফাঁদ দেখানোর যে কথা বলা হয়েছে, এটির যদি প্রতিফলন ঘটে; তাহলে সবচেয়ে বেশি ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হবে প্রধানমন্ত্রীর।’

সংবাদ সম্মেলনে রেশমী আক্তার নামের একজন অভিযোগ করেন, গতকাল সোমবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে তাঁদের বাড়িতে পোশাক ও সাদাপোশাকে চার গাড়ি পুলিশ যায়। বাড়ি থেকে তাঁর স্বামী মোশারফ হোসেনকে তুলে নিয়ে গেলেও তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। তৈমুরের পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণা চালানোয় তাঁর স্বামীকে এর আগে কয়েক দফা হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ করেন।

এর আগে গতকাল বিকেলে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত আহ্বায়ক মনিরুল ইসলামকে হেফাজতের মামলায় সিদ্ধিরগঞ্জের বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন