বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তলিয়ে যাওয়া বাড়ির এক নারী রওশন আরা বলেন, তাঁর পাকা বাড়ি তলিয়ে গেছে। তবু তিনি সেখানে আছেন। কী করবেন, কিছুই বুঝতে পারছেন না। কোথাও জায়গাজমিও নেই যে সেখানে বাড়িঘর তৈরি করবেন। তলিয়ে যাওয়া বাড়িঘরের বাসিন্দারা বলেন, তাদের কারও নিজস্ব বা ব্যক্তিমালিকানা জমি সেখানে নেই। তবে ইচ্ছা করলে পাউবো বালু অন্যত্র ফেলতে পারত। তাহলে এতগুলো পরিবার রক্ষা পেত।

সরেজমিনে দেখা যায়, ওই এলাকার কবুরহাট থেকে শুরু করে বহলা গোবিন্দপুর হয়ে চাপড়া পর্যন্ত অন্তত দুই কিলোমিটারজুড়ে গড়াই নদ খনন করা বালু ফেলার কাজ চলছে। এতে বহলা গোবিন্দপুর এলাকার অন্তত ৪৬টি বাড়িঘর তলিয়ে গেছে। তলিয়ে গেছে টিউবওয়েল, টয়লেটসহ সবকিছু।

পাউবো সূত্র জানায়, প্রায় দুই বছর আগে পরিকল্পনা করে এক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তাতে বলা হয়, গড়াই নদ খননে বালু পাশেই নদের জায়গায় বা পুকুরে ফেলা হবে। এ ছাড়া বহলা গোবিন্দপুর এলাকায় গড়াই নদে বাঁধের কাজ চলছে। কিন্তু পাশে পুকুরের পানি থাকায় মাঝে মাঝে এসব বাঁধে ভাঙন দেখা দেয়। এ জন্য পুকুরগুলো ভরাটের সিদ্ধান্ত আসে। সেই মোতাবেক পুকুর ভরাটসহ নিজস্ব জায়গায় বালু ফেলা হচ্ছে।

ঘটনাস্থলে দেখা হয় পাউবোর এসডি আলী আফরোজের সঙ্গে। তিনি বলেন, যেসব জায়গায় বালু ফেলা হচ্ছে, তার সবটুকুই গড়াই নদের নিজস্ব জায়গা। তারপরও যাঁরা এখানে দীর্ঘদিন ধরে বসবাস করে আসছেন, তাঁদের বিবেচনা করা হচ্ছে। বালু ভরাট হয়ে গেলে সেখানে বাস করতে পারবেন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন