বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গত শুক্রবার সকালে হাতীবান্ধা উপজেলার পূর্ব কাদমা মালদাপাড়া গ্রামের হিমাংশু রায়ের স্ত্রী সাবিত্রী রানীর (৩০) লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পুলিশ হিমাংশুকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। পরে পুলিশের হেফাজতে থাকা অবস্থায় বিকেলে তাঁর মৃত্যু হয়।

হাতীবান্ধা থানার ওসি এরশাদুল আলম বলেন, জিজ্ঞাসাবাদে হিমাংশু একেক সময় একেক রকম কথা বলছিলেন। তাঁকে থানার নারী-শিশু হেল্প ডেস্ক কক্ষে রেখে পুলিশ সদস্যরা খেতে যান। এ সময় সেখানে থাকা ওয়াই–ফাইয়ের তার গলায় পেঁচিয়ে জানালার গ্রিলে ঝুলে তিনি আত্মহত্যা করেছেন। তাঁর লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সামিউল আমীন।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন