বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বগুড়ার পুলিশ সুপার সুদীপ কুমার চক্রবর্ত্তী এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, বুধবার গাবতলী উপজেলার বালিয়াদীঘি ইউপি নির্বাচনে কালাইহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে কেন আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছিল, কী পরিস্থিতিতে সেখানে গুলির ঘটনা ঘটেছিল, ঘটনার দিন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গৃহীত পদক্ষেপ, যৌক্তিকতা, ক্ষয়ক্ষতি কিংবা পরবর্তী কী পদক্ষেপ নেওয়া যায়, তা তদন্ত প্রতিবেদনে তুলে ধরবেন।

পুলিশ সূত্র জানায়, বালিয়াদীঘি ইউপি নির্বাচনে কালাইহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতার ঘটনায় অজ্ঞাতনামা ৩০০ জনকে আসামি করে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গাবতলী মডেল থানায় এ মামলা করা হয়। উপজেলার বালিয়াদীঘি ইউপির কালাইহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রের প্রিসাইডিং কর্মকর্তা জাকির হোসেন বাদী হয়ে মামলাটি করেন।
গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিয়া লতিফুল ইসলাম বলেন, মামলায় আসামিদের বিরুদ্ধে সরকারি কাজে বাধাদান এবং ভোটকেন্দ্রে হামলা-ভাঙচুরের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পঞ্চম ধাপে বুধবার বালিয়াদীঘি ইউপি নির্বাচনের ভোট গ্রহণ হয়। সন্ধ্যায় ইউপির কালাইহাটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় কেন্দ্রে ভোট গণনাকে কেন্দ্র করে সহিংসতা থামাতে বিজিবি গুলি ছুড়লে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন। নিহত ব্যক্তিরা হলেন এক প্রার্থীর পোলিং এজেন্ট কুলসুম বেগম (৫০), দিনমজুর খোরশেদ আলী (৬৮), আবদুর রশিদ (৬০) ও রিকশাচালক আলমগীর হোসেন (৪০)।

এ ঘটনায় আরও চারজন গুলিবিদ্ধ হয়ে চিকিৎসাধীন। তাঁরা হলেন আবদুল (৪০), রাকিব (১৬), মেহেদী হাসান (১৩) ও ছহির উদ্দিন (৬০)। তাঁদের মধ্যে মেহেদী কালাইহাটা উচ্চবিদ্যালয়ের সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী।

বিজিবির গুলিতে নিহত চারজনের লাশ শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজের মর্গে ময়নাতদন্ত শেষে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় পুলিশি পাহারায় কালাইহাটা গ্রামে জানাজা শেষে পুলিশি পাহারায় লাশ দাফন করা হয়।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন