বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বিমান চলাচলের জন্য আকাশে দৃষ্টিসীমা ১ হাজার ৮০০ থাকতে হয়। কিন্তু এখন প্রায়ই বেলা দুইটা পর্যন্ত আকাশ কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে। দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার করণে বিঘ্ন ঘটছে উড়োজাহাজ চলাচলে। বেলা দুইটার পর থেকে পরিস্থিতি কিছুটা ভালো হয়। এই অবস্থায় এয়ারলাইনসগুলো সমন্বয় করে ফ্লাইট কমিয়ে দিয়ে সীমিত আকারে উড়োজাহাজ পরিচালনা করছে। এতে প্রতিদিন যাত্রীরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। যাত্রী পরিবহনও অর্ধেকে নেমে এসেছে। সৈয়দপুর-ঢাকা আকাশপথে এয়ারলাইনসগুলো প্রতিদিন কমপক্ষে ১ হাজার ৫০০ যাত্রী পরিবহন করে থাকে। এখন করছে মাত্র ৭০০ থেকে ৮০০ যাত্রী।

সৈয়দপুর বিমানবন্দর ব্যবস্থাপক সুপলব কুমার ঘোষ বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে বিমান চলাচলে বিঘ্ন ঘটেছে। সকালে ইউএস–বাংলা এয়ারলাইনসের দুটি ও নভোএয়ারের দুটি ফ্লাইট নির্ধারিত সময়ে চলাচল করতে পারেনি। বেলা দুইটার পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে বলে তিনি আশাবাদী।

সৈয়দপুর আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা লোকমান হাকিম বলেন, সৈয়দপুর অঞ্চলে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। আজ সকালে এখানে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১২ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। কুয়াশার কারণে ভিজিবিলিটি এক হাজার হাজার মিটারে নেমে আসে। আরও দু-এক দিন এই পরিস্থিতি চলবে বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন