default-image

আবারও কুয়াশার কবলে নৌপথ। গতকাল শুক্রবার মধ্যরাতে ভারী কুয়াশার কারণে দেশের গুরুত্বপূর্ণ রাজবাড়ীর দৌলতদিয়া ও মানিকগঞ্জের পাটুরিয়া নৌপথে দুই ঘণ্টার মতো ফেরি বন্ধ ছিল। এতে নিয়মিত গাড়ির সঙ্গে আটরশির ওরশফেরত গাড়ির চাপে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কে দীর্ঘ যানজট তৈরি হয়।

আজ শনিবার ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় ঢাকাগামী অন্তত পাঁচ শতাধিক গাড়ি নদী পারের অপেক্ষায় রয়েছে।

সংবাদের সত্যতা নিশ্চিত করে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক খোরশেদ আলম জানান, দ্বিতীয় দিনের মতো শুক্রবার মধ্যরাতে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌপথে ভারী কুয়াশা পড়ে। রাত বাড়ার সঙ্গে কুয়াশার মাত্রা বাড়তে থাকলে একপর্যায়ে ফেরি চলাচল ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। সামনের কিছুই দেখতে না পেলে দুর্ঘটনা এড়াতে কর্তৃপক্ষ রাত ৩টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেয়। এর আগে উভয় ঘাট থেকে ছেড়ে যাওয়া ছোট-বড় মিলে চারটি ফেরি মাঝনদীতে আটকা পড়ে। যানবাহনবোঝাই এসব ফেরি বাধ্য হয়ে নদীতেই নোঙর করে থাকে। কুয়াশার ভেতর মাঝনদীতে আটকে পড়া ফেরিতে যানবাহনের যাত্রী ও চালকেরা দুর্ভোগের শিকার হন।

বিজ্ঞাপন

খোরশেদ আলম আরও জানান, দুই ঘণ্টা পর ভোর ৫টার পর কুয়াশার মাত্রা কমতে থাকলে ফেরি ছাড়তে শুরু করে। এর আগে শুক্রবার ভোরে দুই দফায় আরও দুই ঘণ্টা ফেরি চলাচল বন্ধ ছিল। ফেরি চলাচল ব্যাহত হওয়ায় দৌলতদিয়া ও পাটুরিয়া ঘাটে আটকা পড়ে কয়েক শ গাড়ি। সেই সঙ্গে নিয়মিত গাড়ির সঙ্গে ফরিদপুরের আটরশির ওরশফেরত গাড়ি আসায় বাড়তি চাপ তৈরি হয়। ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ঘাট এলাকায় দীর্ঘ প্রায় ৬ কিলোমিটার যানজট তৈরি হয়।

আজ শনিবারও গাড়ির চাপ অব্যাহত রয়েছে। এখনো অন্তত পাঁচ শতাধিক যাত্রীবাহী বাস ও পণ্যবাহী ঢাকাগামী গাড়ি নদী পারের অপেক্ষায় আটকা রয়েছে। দীর্ঘ সময় আটকা থাকায় বাড়তি দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন যাত্রী ও যানবাহনের চালকেরা। তবে শনিবার রাতের মধ্যে এসব গাড়ি নদী পাড়ি দিয়ে চলে যাবে বলে তিনি আশাবাদী।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন