বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আজ বুধবার সকাল আটটার দিকে দৌলতদিয়া প্রান্তে দেখা যায়, ফেরিঘাট থেকে ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের গোয়ালন্দের পদ্মার মোড় পর্যন্ত পাঁচ কিলোমিটারজুড়ে ঢাকামুখী সহস্রাধিক গাড়ি নদী পাড়ি দিতে অপেক্ষা করছে। শীত ও কুয়াশায় আটকে থাকা যানবাহনের যাত্রীরা গাড়িতেই বসে আছেন। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে বাইরে চায়ের স্টলে ভিড় করছেন। অনেকে গাড়ি থেকে নেমে হেঁটে ফেরিঘাটের দিকে এগোচ্ছেন। ফেরিঘাটের সংযোগ সড়কসহ পন্টুনে কিছু গাড়ির সঙ্গে বেশ কিছু যাত্রী কখন ফেরি চালু হবে, সে জন্য অপেক্ষা করছেন। অনেকেই ঝুঁকি নিয়ে ইঞ্জিনচালিত ট্রলারে উঠে নদী পাড়ি দিচ্ছেন।

দৌলতদিয়া ফেরিঘাট থেকে প্রায় সাড়ে চার কিলোমিটার পেছনে খুলনা থেকে আসা ঢাকাগামী একটি দূরপাল্লার পরিবহনের যাত্রী আহম্মেদ মোকাররম হোসেন বলেন, তিনি বিদ্যুৎ বিভাগে চাকরি করেন। ঢাকায় মাসহ পরিবারের সদস্যরা থাকেন। জরুরি কাজে গতকাল রাতে রওনা করেছেন। রাত পৌনে দুইটা থেকে তাঁরা যানজটে আটকে থাকার পর কুয়াশায় আটকে আছেন। আজ সকালে ঢাকা পৌঁছে ব্যাংকের কিছু জরুরি কাজ করার কথা ছিল। কিন্তু মনে হয় আজ বিকেলের আগে তিনি ঢাকা পৌঁছাতে পারবেন না।

কুয়াকাটা থেকে আসা যমুনা পরিবহনের চালক মণীন্দ্র তালুকদার বলেন, গতকাল সন্ধ্যায় সাড়ে ছয়টার দিকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা করেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে তাঁরা ফেরিঘাট থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পেছনে সিরিয়ালে আটকা পড়েন। ঘণ্টাখানেক পর জানতে পারেন, কুয়াশায় ফেরি বন্ধ হয়ে গেছে। এর পর থেকে তাঁরা আটকে আছেন। গাড়িতে ২৭ জন যাত্রী ছিল। কয়েকজন গাড়ি থেকে নেমে বিকল্প উপায়ে ফেরিঘাটে চলে গেছে বলে জানান।

বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক মজিবর হোসেন জানান, ঘন কুয়াশার কারণে দুর্ঘটনা এড়াতে রাত দুইটা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে। ফেরি বন্ধ ও ফেরিস্বল্পতার কারণে যানবাহন পারাপার ব্যাহত হওয়ায় দৌলতদিয়া প্রান্তে পাঁচ শতাধিক বিভিন্ন ধরনের যানবাহন আটকে রয়েছে বলে জানান। কুয়াশা কেটে গেলে পারাপার স্বাভাবিক হবে বলে তিনি জানান।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন