বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পারাপার বন্ধ থাকায় ঢাকার আশপাশের বিভিন্ন জেলা থেকে ছেড়ে আসা যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি ও পণ্যবাহী গাড়ি পাটুরিয়া ঘাট এলাকায় আটকা পড়ে। এসব যাত্রীবাহী বাস পাটুরিয়া-উথলী সংযোগ সড়কে নদী পারাপারের অপেক্ষায় আছে। ব্যক্তিগত বিভিন্ন গাড়ি পাটুরিয়ার পাঁচ নম্বর ঘাট থেকে আরসিএল মোড় পর্যন্ত দীর্ঘ সারিতে আটকা পড়েছে। এ ছাড়া পণ্যবাহী গাড়িগুলো পাটুরিয়ায় টার্মিনাল, পাটুরিয়া-উথলী সড়ক ও উথলী মোড় এলাকায় সারিবদ্ধভাবে রাখা হয়েছে।

ফরিদপুর সদরের গোয়াল চামট এলাকার আনোয়ারুল হক ঢাকার মিরপুরে একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তিনি আজ ভোরে এ কে ট্রাভেলস পরিবহনের একটি বাসে স্ত্রী ও দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে রওনা দেন। সকাল আটটা থেকে তিনি পরিবার নিয়ে ঘাটে নদী পারাপারের অপেক্ষায় আছেন। তিনি বলেন, ‘পাটুরিয়ায় ভোগান্তি আর ছাড়ল না! ফেরি-সংকট, ঘাটের সমস্যা, নাব্যতা–সংকট প্রায় সারা বছরই থাকে। এই শীতের সময় কুয়াশা ভোগান্তি আরও বাড়ায়। ঘাটে বাসের মধ্যে জবুথবু হয়ে বসে আছি।’

টার্মিনালে রাখা একটি ট্রাকের চালক আমজাদ মিয়া বলেন, চট্টগ্রাম থেকে লবণ নিয়ে যশোরে যাচ্ছেন তিনি। গতকাল মঙ্গলবার সকাল থেকে তিনি পাটুরিয়ায় আটকে আছেন। তিনি বলেন, ‘আজ সকালে ফেরিতে উঠতে পারুম বলে আশা করেছিলাম। কুয়াশায় তো পারাপারই বন্ধ। আজ আর নদী পার হওয়ার সুযোগ হবে বলে মনে হচ্ছে না।’

ঘাট এলাকায় দায়িত্বরত ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক যুবায়েদ হোসেন বলেন, ফেরি বন্ধ থাকায় যানবাহনের চাপ বাড়ছে। আজ সকাল নয়টা পর্যন্ত যাত্রীবাহী বাস, ছোট গাড়ি ও পণ্যবাহী গাড়ি পাটুরিয়া প্রান্তে আটকা পড়েছে।

বিআইডব্লিউটিসির আরিচা কার্যালয়ের সহকারী ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মহিউদ্দিন রাসেল আজ সকালে বলেন, ঘন কুয়াশার কারণে আজ সকাল ছয়টার দিকে ফেরি চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে ঘাট এলাকায় যাত্রীবাহী বাসের চাপ কিছুটা বেশি। ফেরি চলাচল শুরু হলে যাত্রীবাহী বাস ও ছোট গাড়িগুলো আগে পারাপার হওয়ার সুযোগ পাবে। এতে যাত্রীদের দুর্ভোগ কমে আসবে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন