বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

সরেজমিনে দেখা গেছে, বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পাটুরিয়ার ৩ নম্বর ঘাটের পন্টুনে ফেরি চন্দ্র মল্লিকা নোঙর করে। ফেরি ভেড়ানোর সঙ্গে সঙ্গে যাত্রীরা দৌড়ে গিয়ে ফেরিতে উঠে পড়েন। ৫ থেকে ১০ মিনিটের মধ্যে ফেরিটি বোঝাই হয়ে যায়। এরপর ফেরিটি দৌলতদিয়ার উদ্দেশে ছেড়ে যায়। বিকেল পৌনে পাঁচটার দিকে ৪ নম্বর ঘাটে ভেড়ে ফেরি শাহজালাল। এক পাশ দিয়ে ফেরিতে থাকা যাত্রী ও যানবাহন নামতে থাকে এবং অন্য পাশ দিয়ে তাড়াহুড়ো করে যাত্রীরা ফেরিতে ওঠেন। ফেরিতে উঠতে যাত্রীদের শৃঙ্খলা বজায় রাখায় সহযোগিতা করেন নৌ-পুলিশের সদস্যরা। কিছুক্ষণের মধ্যে ওই ফেরিও কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায়।

default-image

ঘাট-সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, আজ সকাল থেকে ঢাকা, সাভার ও আশুলিয়ায় পোশাক কারখানার শ্রমিকেরা পাটুরিয়া ঘাটে আসতে শুরু করেন। পরিবার-পরিজন নিয়ে ঈদ করতে গ্রামের বাড়িতে যাচ্ছিলেন তাঁরা। বিকেলে যাত্রীদের চাপ আরও বেড়ে যায়। রাত আটটার দিকেও ফেরিতে যাত্রীর চাপ ছিল।

আশুলিয়ার জামগড়া এলাকায় একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন দুলাল হোসেন ও রত্না আক্তার দম্পতি। দুই সন্তান নিয়ে তাঁরা ফরিদপুরে গ্রামের বাড়িতে ঈদ করতে যাচ্ছেন। বিকেল সাড়ে চারটার দিকে পাটুরিয়ার ৩ নম্বর ঘাটে দুলালের সঙ্গে কথা হয়। তিনি প্রথম আলোকে বলেন, ‘সারা বছর কামকাজ করি। বছরে দুবার ঈদে বাড়ি যাই। আত্মীয়স্বজনদের সঙ্গে দেখা হয়।’

ফরিদপুর নৌ–অঞ্চলের পুলিশ সুপার মো. জসিম উদ্দিন সারা দিন ঘাটে ছিলেন। তিনি বিকেলে বলেন, নৌ-পুলিশের প্রধান অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক মো. শফিকুল ইসলামের নির্দেশনায় ঘাট এলাকায় যাত্রীদের নিরাপত্তা ও নিরাপদে নদী পারাপারের জন্য ঘাট এলাকায় নৌ–পুলিশের সদস্যরা কাজ করছেন। লঞ্চ ও স্পিডবোটে অতিরিক্ত যাত্রী পরিবহন বন্ধে যাত্রীদের সচেতনতার জন্য মাইকিং করা হচ্ছে।

default-image

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থার (বিআইডব্লিউটিসি) আরিচা কার্যালয়ের উপমহাব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) শাহ মো. খালেদ নেওয়াজ প্রথম আলোকে বলেন, পাটুরিয়া প্রান্তে পাঁচটি ফেরিঘাটের সব কটিই সচল রয়েছে। এ ছাড়া বড়-ছোট মিলিয়ে ২১টি ফেরি দিয়ে যাত্রী ও যানবাহন পারাপার করা হচ্ছে। ঘাটে যাত্রীদের বাড়তি চাপ থাকলেও ভোগান্তি ছাড়াই যাত্রী ও যানবাহন ফেরিতে ওঠে নদী পার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছে।

জেলা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন